ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রসঙ্গে

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার ব্যাপারে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে অধ্যাদেশও জারি হয়েছে। এই বিষয়ে টেলিফোন

ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের মতামত আজ প্রকাশিত হলো।

 

শুধু মৃত্যুদণ্ডই অপরাধ প্রতিরোধ নিশ্চিত করে না। অশিক্ষা ও উন্নত সংস্কৃতি চর্চার অভাবও নারী নির্যাতনের জন্য অনেকটাই দায়ী বলে আমরা মনে করি। সে জন্য বর্তমান বাস্তবতায় ধর্ষণের বিরুদ্ধে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এছাড়াও গড়ে তুলতে হবে সামাজিক প্রতিরোধ।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

ধর্ষণ একটি মানসিক ব্যাধি। এই প্রবণতা কখনো কমে, কখনো বেড়ে যায়। বর্তমানে বৃদ্ধি পাওয়াতে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু এই মৃত্যুদণ্ডের এই সুযোগটি নিয়ে অনেক দুরাচারি মহিলা নিরীহ পুরুষকে হয়রানি করতে পারে বা নানা কৌশলে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে মৃত্যুদণ্ডের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই আমাদের অনুরোধ মৃত্যুদণ্ডের আদেশটি সংসদে পাশ করার পূর্বে আরো যাচাইবাছাইয়ের সুযোগ দেওয়া হোক এবং নিরীহ মানুষ যাতে ফেঁসে না যায় আইনটিতে সে ব্যবস্থা রাখা হোক।

মাখরাজ খান, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

মৃত্যুদণ্ড কোনো সমস্যার একমাত্র সমাধান নয়। আগের আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। তার পরও ধর্ষণ কমেনি বরং দিনদিন ধর্ষণের মাত্রা বেড়ে চলছে। কাগজ-কলমে আইন সীমাবদ্ধ রেখে ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে না। আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে অপরাধের মাত্রা কমে যাবে। তাই আমাদের সমাজে ধর্মীয়, মানবিক ও নৈতিক শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে হবে। নারীকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখতে হবে। অপসংস্কৃতিচর্চা ও কুরুচিপূর্ণ স্যাটেলাইট চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অপরাধীকে রাজনৈতিক কিংবা ক্ষমতাসীনদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবেই ধর্ষণমুক্ত হবে দেশ, নারীরা থাকবে নিরাপদে।

মো.সাইমুন

সরকারি কমার্স কলেজ, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম

ধর্ষণের শাস্তি ছিল যাবজ্জীবন। দেশের মানুষের দাবিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করা হয়েছে। আইনের সঠিক প্রয়োগ ছিল না বলেই অপরাধী ধর্ষণ করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকত। ধর্ষণকারীরা এখনো অধরাই। ধর্ষণকারীর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হোক এ সবাইর প্রত্যাশা বটে, তা যদি প্রকৃত ধর্ষণকারী হয়।

ফারুক আহমেদ, বাগমারা, রাজশাহী

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার ব্যাপারে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এটা অবশ্যই ভালো দিক। তবে সে ক্ষেত্রে বিচার বিভাগকে আরো বেশি স্বাধীন হতে হবে। ন্যায়বিচারের বিষয়টি অবশ্যই নজরে রাখতে হবে।

শিশির, পিলখানা, ঢাকা

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড—এটি সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এতে কিছুটা হলেও অপরাধীর মনে ভীতির সঞ্চার হবে। তবে দেখা গেছে, বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতায় যে হয়রানি হয়, তাতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ধর্ষিতা বিচারের আশা ছেড়ে দেন। তবে ট্রাইব্যুনালে বিচার নিষ্পত্তি হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এছাড়া দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা ধারাবাহিকভাবে টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হলে তাতে কিছুটা হলেও ধর্ষণ হ্রাস পাবে।

মোহাম্মদ ইসলাম

পায়ের খোলা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। পাশাপাশি পারিবারিকভাবেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। স্ত্রী, সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, প্রতিনিয়ত এই বিষয়গুলো গুরুত্ব দিলে আশা করি ধর্ষণের বিষয়গুলো কমে আসবে।

শেখ মো. ইলিয়াস হায়দার

 শিপপুর, নরসিংদী

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার ব্যাপারে সরকার যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তাকে সাধুবাদ জানাই। তবে আইনের প্রয়োগ অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে।

অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন

কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্তকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। তবে আইনের অপব্যবহারের প্রবণতা রোধেও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকা জরুরি।

রাসেল আহমেদ, মুগদা, ঢাকা

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এটা ‘মশা মারতে কামান দাগানো ছাড়া কিছু নয়।’ কিন্তু নিজের ঘরের লোককে আগে সামাল দেওয়া দরকার।

ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিফউল্লাহ

রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর

মৃত্যুদণ্ডের বিধান করলেই যে ধর্ষণ বন্ধ হবে এটা কি হলফ করে কেউ বলতে পারে? পরপর কয়েকটি ধর্ষণ ও নোয়াখালী বেগমগঞ্জের এক নারীকে বিবস্ত্র করে যৌন নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক মতামত এসেছে।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার বিষয়টি প্রধান নয়। এজন্য সংস্কৃতি বদলাতে হবে। আইন করে অপরাধ দমন করা যায় না, কখনো হয়নি। দেশে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে হবে। একটি মানবিক, নিরাপদ, সুষ্ঠু সমাজ গঠন করতে হবে সবার জন্য। সেটাই হবে সবচেয়ে বড় কাজ।

অ্যাডভোকেট লায়ন রবিউল ইসলাম রবি

মতিঝিল, ঢাকা

করোনা মহামারির সঙ্গে এদেশে আরেকটি মহামারি যুক্ত হয়েছে তা হচ্ছে ধর্ষণ মহামারি। আশা করছি, মৃত্যুদণ্ডের বিধান ধর্ষকদের সামাল দিতে কিছুটা হলেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

বজলুল, রিক, ধানমন্ডি, ঢাকা

আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হলে ধর্ষণ-সহিংসতার বিষয়গুলো কখনোই বন্ধ হবে না। পত্রিকার তথ্যানুসারে ২০০০ইং সাল থেকে এ পর্যন্ত ২০ বছরে ধর্ষণ করে হত্যার যে অজস্র ঘটনা ঘটেছে তা ক্রমে কমে আসার কথা ছিল। কিন্তু তা কমেনি। বরং দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। তাই ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কমাতে মামলার তদন্ত ও বিচারের কালক্ষেপণ না করে স্বল্পতম সময়ে বিচারকার্য সম্পন্ন করাই হচ্ছে প্রথম কাজ। তাহলে ধর্ষণের শাস্তি যথাযথভাবে কার্যকর হবে।

আইরিন সুলতানা সন্জু

মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম

আইনের ফাঁকফোক থাকলে বড় বড় অপরাধীরা কোনো না কোনোভাবে দলীয় বা নির্দলীয় পরিচয়ে বা প্রভাব ঘাটিয়ে জেল-জরিমানা থেকে খালাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। তাই মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে অর্থদণ্ডও থাকা দরকার বলে আমরা মনে করি।

আলহাজ মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান চৌধুরী হিফজু

হাউজিং স্টেট, রাজশাহী

কঠোর আইন পাশ এবং তার প্রয়োগ শতভাগ নিশ্চিত করেও ধর্ষণ রোধ করা হয়তো সম্ভব নয়। যদি তার সঠিক কারণ চিহ্নিত করে প্রতিকারের ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। আমার মনে হয় বহুমুখী নেশা, ফেসবুক, ইউটিউব, নাটক, সিনেমার বিভিন্ন সিরিয়াল সভ্যতা আধুনিকায়নের নামে অনৈতিক ও অশোভনীয় পোশাক ইত্যাদি ধর্ষণ পরিস্থিতির জন্য দায়ী। সর্বোপরি আইনের সঠিক প্রয়োগ চাই। ধর্ষণ নির্মূলে যথাযথ পদক্ষেপের বাস্তবায়ন নিশ্চয়তা চাই। সবার সচেতনতার পাশাপাশি সর্বাগ্রে চাই সবার নিরাপত্তা।

আবদুর রাজ্জাক নাছিম

চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ।

প্রচলিত আইনে এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আগেই ছিল, যা সরকার সংশোধন করে আরো কঠোর করেছে। ক্ষমতার প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতির সুযোগে ধর্ষকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ক্ষমতায় থাকা একটা দলের কেউ যখন খুন-ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করে, তার পরও দল লজ্জিত হয় না, কোনো অনুতাপও দেখা যায় না। দলে যেন এ ধরনের দুর্বৃত্তরা স্থান না পায়, সে ব্যাপারে সতর্কতা ও কঠোর অঙ্গীকারও দেখা যায় না। আবার দেখা যায়,  আমাদের থানা, পুলিশ, আইন, তদন্ত, বিচারপ্রক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রেই নারীর প্রতি সংবেদনশীল নয়। প্রচলিত বিচার প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগী নারীকেই ধর্ষণ প্রমাণের যাবতীয় দায় বহন করতে হয়। ভুক্তভোগীর প্রতি অশালীন মন্তব্য, সাক্ষ্য সংগ্রহে গাফিলতি, তদন্তে দেরি, প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকা খেয়ে অথবা ভুক্তভোগীর কাছে টাকা না পেয়ে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিল ইত্যাদি নানা অসংগতি রয়েছে।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখার বিষয়টি ইতিবাচক দিক। তবে দেশে পাকাপোক্ত আইনের ব্যবস্থা থাকলেও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশাসনের তেমন মাথাব্যথা দেখা যায় না। আইন প্রয়োগকারীরাই আইনের পথে হাঁটেন না। অর্থের লোভ, হুমকি-ধমকিতে বিচারব্যবস্থার কাটা পড়ে। মামলার চার্জশিট গঠনে ফাঁকফোকর সৃষ্টি ও গলদ থেকে যায়। এতে ধর্ষিতা ও তার পিতা-মাতা সঠিক বিচার পান না। এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে ধর্ষণকারীদের মতো অপরাধ প্রশ্রয় পাচ্ছে।

মো. হাছিবুল বাসার মানিক

বুড়িচং, কুমিল্লা

একের পর এক যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দেশ জুড়ে প্রতিবাদ আর বিক্ষোভের মধ্যে ধর্ষণের শাস্তি বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করা হলো। সহিংসতা ও ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে এ ধরনের কঠোর আইন প্রয়োগের প্রয়োজন। তাহলে যারা অপরাধ করে তারা সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টি চিন্তা করবে। এই মামলার বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। সুতরাং এটার ইতিবাচক দিক রয়েছে। আর আইন শুধু থাকলেই তো হবে না, তার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সাদিয়া সুলতানা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ

সাভার, ঢাকা

ধর্ষণ আমাদের দেশের একটি ভয়াবহ ব্যাধি, দিনে দিনে এই ব্যাধি বৃদ্ধি পাচ্ছে, ভুক্তভোগী হচ্ছেন নিরীহ নারী, মেয়ে, কন্যাশিশু। এই অপরাধপ্রবণতা ও পাশবিকতা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করা হয়েছে, যা বর্তমান সময়ের জন্য কিছুটা হলেও যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত, যা বর্তমান সমাজে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কমাতে কিংবা নির্মূল করতে সহায়তা করবে। তবে এই শাস্তির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চিন্তাধারার এবং তাদের মানবিক গুণাবলির পরিবর্তন দরকার। মেয়েদের অসম্মান করা, তাদের প্রতি রুচিহীন মন্তব্য করাসহ শ্লীলতাহানিতা বন্ধ করতে হবে, তা না হলে অনেকেই মনে মনে ধর্ষক হয়ে পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের অপরাধ করতে পিছপা হবে না।

ফারজানা বিনতে মুরাদ

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

পারিবারিক ও সামাজিক শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতির বন্ধন এবং তথাকথিত প্রভাবশালী মহলের প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষপাতমূলক আচরণ চিরতরে বন্ধ করতে হবে। সমাজে নীতি-নৈতিকতার স্খলন ও অবক্ষয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-অভিভাবক ও সমাজের মুরুব্বিদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। একজন নারী হিসেবে আমি নতুন এই আইনকে স্বাগত জানাই।

বিলকিছ আক্তার, কাউনিয়া, রংপুর

দুনিয়ার যেসব দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বেশি বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। এ ধরনের অপরাধের একটি অতিক্ষুদ্র অংশই আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর গোচরে আনা হয়। এটাই বড়ো সমস্যা।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করায় সরকারকে ধন্যবাদ। সংশোধিত আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিকপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে ধর্ষণের পরিমাণ অনেকাংশে কমবে। কেবল শাস্তির ভয় দেখিয়ে লোলুপ পুরুষদের দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

মোহাম্মদ ফয়সাল

পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম

মহামারি আকার ধারণ করা ধর্ষণপ্রতিরোধে আইন সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করাটা সাধুবাদ পাওয়ার দাবি রাখে। এখন নারীদের প্রকৃত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। স্থানীয় সালিশে মীমাংসার উদ্দেশ্যে ধর্ষণ ঘটনার  যে বিচারকাজ চলে, তার আর প্রয়োজন আছে কিনা ভাবতে হবে।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হলেই চলবে না, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা লাগবে। ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত ফলাফলে স্বচ্ছতা লাগবে। যেসব কারণে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ ঘটে চলছে, ঐ সব নৈতিকতা বিবর্জিত কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ দরকার।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল,গাজীপুর