রংপুরে শাকসবজির দাম চড়া বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

রংপুরে বেড়েই চলছে শাকসবজির বাজার দর। আলুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করলা, কাঁকরোল, ঢ্যাঁড়শ, বরবটি, লালশাক, শসা, ধনেপাতা, লাউ, কাঁচা মরিচ, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির দাম। নিত্যপণ্যের এমন দাম বাড়ায় বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর নগরীর সিটি বাজার, শাপলা চত্বর খান বহুমুখী কাঁচাবাজার, কামাল কাছনা বাজারসহ বেশ কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে এমনটা দেখা গেছে। যে আলুর দাম ছিল ২৫ থেকে ২৮ টাকা কেজি, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫৫ টাকায়। ১০ দিন আগেও রংপুরের সবজি বাজারে বেগুন ছিল ৪০-৫০ টাকা এখন তা ৬৫-৮০ টাকা। কাঁচা মরিচের দাম ১৬০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এখন ২৬০ টাকা। ক্রেতাদের অভিযোগ, এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি সবজিতে দাম বেড়েছে ১০-২৫ টাকা। রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বর খাঁন বহুমুখী কাঁচা বাজারের সবজিবিক্রেতা আনাম মিয়া ও সাকের হোসেন বলেন, দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে সব সবজিই কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বেড়েছে। সরবরাহ কম থাকায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

নগরীর কামাল কাছনা বাজারে কথা হয় সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, আলুর দাম এখন ৫০ টাকা। অথচ গ্রামেগঞ্জে কৃষকের কাছে আলু নেই। আলু এখন মজুতদার এবং কোল্ডস্টোরের মালিকদের হাতে। তারাই আলুর বাজার গরম করে দিয়েছেন। রংপুর নগরীর সিটি বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক দফা বন্যা আর অতিবৃষ্টি প্রভাব ফেলেছে সবজির দামে। পাশাপাশি কাঁচা শাকসবিজর সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে । রংপুর কৃষিবিপণন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, এই অবস্থা বেশি দিন থাকবে না। শীতের সবজি বাজারে আসা শুরু হয়েছে। আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিকেজি আলুর দাম হিমাগার পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।