মান রাখলেন মেহেদী

চট্টগ্রাম থেকে উড়িয়ে আনা কিউরেটরদের মান রাখলেন মেহেদী হাসান। একই সঙ্গে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপেরও। ব্যাটসম্যানদের রান খরা, লো স্কোরিং ম্যাচে প্রাণ হারিয়েছিল টুর্নামেন্ট। গতকাল টসে হেরে আগে ব্যাট করা তামিম ইকবাল একাদশের ইনিংসও সেই পথেই হাঁটছিল। ১২৮ রানেই নেই ৮ উইকেট! 

তার পরই মঞ্চে মেহেদী হাসানের আবির্ভাব। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এসে পালটা আক্রমণ শুরু করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে বিপিএলে নজর কাড়া এই তরুণ অলরাউন্ডার। উইকেটের চারপাশে তার দুর্দান্ত শটসের বাহারই নাজমুল একাদশের বোলারদের তৈরি শৃঙ্খল ভেঙে দেয়। ইনিংসের শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫৭ বলে ৮২ রানের (৯ চার, ৩ ছয়) ইনিংস খেলেন তিনি। তাতেই ৯ উইকেটে ২২১ রানের স্কোর গড়ে তামিম একাদশ। স্রোতের বিপরীতে মেহেদীর ব্যাটিংয়েই টুর্নামেন্টে প্রথমবার ২০০ ছাড়ানো স্কোর দেখা গেল।

জবাব দিতে নিতে ৩০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল নাজমুল একাদশও। গতকাল এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৫ ওভারে ৫ উইকেটে ৭৪ রান তুলেছে দলটি।

এর আগে দৃষ্টিনন্দন দুটি চারের পর তানজিদ হাসান তামিম (৮) আল-আমিনের শিকার হন। তখন থেকেই উইকেট পতনের ধারা শুরু। বিজয়, মিঠুনের পর দলীয় ৬৫ রানে তামিম আউট হন। অধিনায়ক ৩৩ রান করেন। মোসাদ্দেক ৪৬ বলে ১২ রান করেন। আকবর আলী, দিপু, সাইফউদ্দিনরা দ্রুত ফিরলে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে তামিম একাদশ। দিপু ৩১ রান করেন। ৯ম উইকেটে তাইজুলের সঙ্গে ৯২ রানের জুটি গড়েন মেহেদী হাসান। বৃষ্টিতে ৬৭ মিনিট খেলা বন্ধ থাকলেও মেহেদী পথ হারাননি। বৃষ্টির পর সৌম্যর এক ওভারে দুটি চার ও দুটি ছক্কা মেরেছিলেন তিনি। ৪৪ বলে করেন হাফ সেঞ্চুরি। তাইজুল ২০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। নাজমুল একাদশের লেগ স্পিনার রিশাদ ২১ রানে চারটি, আল-আমিন, নাঈম দুটি করে, তাসকিন-মুকিদুল একটি করে উইকেট পান।