বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে রামুর কেন্দ ীয় সীমা মহাবিহারে ‘কঠিন চীবর দান’ উত্সব সম্পন্ন হলো গতকাল শুক্রবার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, চীবর বুনন, বুদ্ধ পালা কীর্তন, ধর্মসভা, চীবর নিয়ে হাজার হাজার পূণ্যার্থীর গ্রাম প্রদক্ষিণ শেষে ভিক্ষুসংঘকে দানের মাধ্যমে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।
ধর্মসভায় বক্তারা বলেন, বুদ্ধের অহিংস নীতি অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি ও সুখ বিরাজ করবে। এছাড়া ছেলে সন্তানদের নৈতিক শিক্ষাদান, পারিবারিক সচেতনতা, শিশুদের প্রতি বড়দের স্নেহশীল আচরণ কঠোর দায়িত্বশীলতা, সামাজিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে। ধর্মসভায় সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ বৌদ্ধভিক্ষু উঃ আছবা মহাথের। এতে প্রধান ধর্মদেশক ছিলেন ভারতীয় উপসংঘরাজ ভদন্ত ধর্মরত্ন মহাথের। সঞ্চালনায় ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ভিক্ষু প্রজ্ঞানন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি রামু থানার নবাগত ওসি এম কে আজমিরুজ্জমান, ভিক্ষু শিলপ্রিয় থের, ভিক্ষু জ্যোতিসেন থের, বিহার কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রাজু বড়ুয়া, বৌদ্ধ নেতা তরুণ বড়ুয়া,পলক বড়ুয়া আপ্পু, লিটন বড়ুয়া মেম্বার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তৈরি চীবর (বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পরার কাপড়) উপস্থিত হাজার হাজার নারী-পুরুষের সাধু, সাধু ধ্বনির মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দান এবং পরে তা সব প্রাণীর সুখ ও মঙ্গল কামনায় উত্সর্গ করা হয়।