সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ ইনোভেশন সেন্টারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় এক ভার্চুয়াল আয়োজনের মাধ্যমে সিটিও ফোরাম ইনোভেশন সেন্টার উদ্বোধন করেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন,  ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে অংশগ্রহন ও ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের এই সময়ে প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে নতুন উদ্ভাবনে সাহায্য করবে এই ইনোভেশন সেন্টার। বিশ্বের অন্যতম প্রযুক্তি জায়ান্ট আমাজনের সহযোগিতায় দেশের তথ্যপ্রযুক্তিখাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে ইনোভেশন সেন্টারটি কাজ করবে। 

এই পরিবর্তিত বিশ্বে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে নতুন উদ্ভাবনের বিকল্প নেই বলে মত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, তরুণেরাই জাতির ভবিষ্যত্। তাদের ক্লাউড, এআই, ব্লকচেইনসহ নতুন নতুন প্রযুক্তি শিখতে হবে। আমাদের দেশের জনসংখ্যার অধিকাংশই তরুণ। তারাই আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। ইতিমধ্যে আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতার ছাপ রাখতে পেরেছি। এ ধরনের ইনোভেশন সেন্টারে তরুণদের সেই পথচলায় কাজে লাগবে। তিনি  উদ্যোগে আমাজনকে যুক্ত করায় সিটিও ফোরামের প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, সিটিও ফোরাম অন্যান্য টেক জায়ান্ট গুলোকেও এই আয়োজনে যুক্ত করবে। তিনি হাই টেক পার্কে ইনোভেশন সেন্টারকে একটি জায়গা ও উন্নত ল্যাব প্রদানের ঘোষনা দিয়ে ভারচুয়ালি এর উদ্বোধন করেন। 

আয়োজনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজন সঠিক ভাবে সমস্যা গুলো কে বুঝতে পারা। আমাদের সমস্যাগুলো বাইরের দেশগুলোর বা কোম্পানিগুলোর সঠিক ভাবে বুঝে ওঠা সম্ভব নয়, তাই আমাদেরই  সমস্যা গুলোর উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে ভাবতে হবে। এর বাস্তব প্রয়োগের ব্যাবস্থাও আমাদেরই করতে হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিটিও ফোরামের এই ইনোভেশন সেন্টার নানা সমস্যা সমাধানের প্রোটোটাইপ নিয়ে এগিয়ে আসবে।