শেষের নাটকে জয়বঞ্চিত লিভারপুল

স্পোর্টস ডেস্ক

ঘটনাবহুল মার্সিসাইড ডার্বিতে এভারটনের সঙ্গে ২-২ ড্র করেছে লিভারপুল। এর ফলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষেই রইল কোচ কার্লো অ্যানচেলত্তির এভারটন। তবে দল পূর্ণ তিন পয়েন্ট না পেলেও মোহামেদ সালাহর একটা অর্জন ঠিকই হয়ে গেছে এদিন। তৃতীয় দ্রুততম খেলোয়াড় হিসেবে লিভারপুলের হয়ে শততম গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি।

১৭ অক্টোবর, ২০১০। সেদিনই সর্বশেষ কোনো প্রতিযোগিতায় লিভারপুলকে হারিয়েছিল নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এভারটন। সময়ের পরিক্রমায় এরপর কেটে গেছে ১০টি বছর, লিভারপুলে এরপর দুর্দিন নেমে আসলেও ডার্বি ম্যাচে বরাবরই অদম্য ছিল অল রেডরা।

তবে ঠিক ১০ বছর পর গতকাল আবারও এভারটনের জয়ের আশা সৃষ্টি হয়েছিল। লিভারপুলের ক্ষয়িষ্ণু ফর্ম আর নিজেদের ক্রমবর্ধমান শক্তি মিলিয়ে সম্ভাবনাটা কম ছিল না অ্যানচেলত্তির ‘বদলে যাওয়া’ এভারটনের।

বদলে যাওয়ার প্রমাণ দিতেই যেন ৩ আর ৭২ মিনিটে সাদিও মানে ও মোহামেদ সালাহর গোলে দুইবার পিছিয়ে পড়েও ঠিকই সমতায় ফিরেছে এভারটন। ১৯ আর ৮২ মিনিটে গোল দুটো করেন মাইকেল কিন আর ডমিনিক ক্যালভার্ট লুইন।

এর মাঝে অবশ্য এভারটন গোলরক্ষকের মারাত্মক ট্যাকল হজম করে মাঠ ছাড়েন লিভারপুল ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক। ৮৮ মিনিটে থিয়াগো আলকান্তারাকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন এভারটনের রিচার্লিসন।

এমন ঘটনাবহুল ম্যাচের শেষটাও হয়েছে বিতর্ক দিয়ে। যোগ করা সময়ে মানের পাস থেকে অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসনের লক্ষ্যভেদে লিভারপুল ডাগআউট যখন মাতোয়ারা, রেফারির ভিএআর পরীক্ষায় তখন দেখা যায়, মাঝমাঠ থেকে পাস নেওয়ার সময়ে অফসাইডে ছিলেন মানে! তাতে গোলটি বাতিল হলে জয় হাতছাড়া হয় লিভারপুলের। ফলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়ে যায় এভারটনই।

এদিকে এ ম্যাচে গোল করে মোহামেদ সালাহ নিজের ১৫৯তম ম্যাচে এসে শততম গোলের দেখা পান। এর চেয়ে কম ম্যাচে লিভারপুলের হয়ে এ কীর্তি গড়েছেন কেবল দুজন, রজার হান্ট (১৪৪) ও জেমস পারকিন্সন (১৫৩)।