চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে আবু তৈয়ব নামে এক শ্রমিককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। তৈয়বকে পরিকল্পিতভাবে খুনের পর আসামিরা গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার চালায়।’ গত শুক্রবার রাতে বাকলিয়া থানাধীন নতুন ফিশারীঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আক্তার হোসেন প্রকাশ কসাই আক্তারসহ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আক্তার নিজেকে বক্সিরহাট ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি বলে পরিচয় দিয়েছেন। আবু তৈয়ব কর্ণফুলী থানাধীন শিকলবাহা মাস্টারহাট এলাকার আহমদ মিয়ার ছেলে।
বাকলিয়া থানা ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, আক্তার হোসেন ও তার অনুসারীদের সঙ্গে গত কয়েক দিন ধরে আবু তৈয়বের বিরোধ চলছে। তৈয়ব ফিশিং ট্রলারে শ্রমিক সরবরাহ করে। নদীর তীরে নির্মিত কাঠের ট্রলার তৈরিতেও তৈয়ব শ্রমিক সরবরাহ করেন। এই দুই সেক্টরে শ্রমিক সরবরাহের কাজ ভাগিয়ে নিতে আক্তার চেষ্টা করছে। কিন্তু তৈয়বের আধিপত্যে না পেরে শ্রমিক সরবরাহে আয়ের টাকার ভাগ ও চাঁদা দাবি করে আক্তার। তৈয়ব চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। বেড়া মার্কেটে তৈয়বের একটি দোকান আছে। সেখানে গিয়ে আক্তারের ভাই মুন্না দৈনিক ১ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করছিলেন। সেই চাঁদাও তৈয়ব দেয়নি। শুক্রবার রাতে তৈয়বের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এরপর লোহার রড, লোহার পাইপ দিয়ে তৈয়বকে বেধড়ক মারধর ও কিরিচ-রামদা দিয়ে কোপানো হয়।’
নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান বলেন, আক্তারসহ মোট ৯ জন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল বলে তথ্য পেয়েছি। এর মধ্যে সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।