মিরসরাইয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৫

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার মিরসরাই সদরে এ সংঘর্ষে পাঁচ ছাত্রলীগকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন— আল আমিন, মুন্না, মো. আলি, রিপন ও সাখাওয়াত হোসেন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছে। এ সময় পুলিশ ২০ রাউন্ড শটগানের গুলি ও তিনটি টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৬ সালে ২৬ নভেম্বর রাসেল চৌধুরীকে সভাপতি ও ফরহাদ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়। ঐ কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় জেলা কমিটি গতকাল মাসুদ করিম রানাকে আহ্বায়ক ও একরামুল হক সোহেলসহ ছয় জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে আগামী তিন মাসের জন্য ৯ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, মূলত উপজেলা ছাত্রলীগের পুরাতন কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানা বলেন, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের পুরাতন মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুই জনই বিবাহিত। তাই জেলা ছাত্রলীগ মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে গতকাল আমাকে আহ্বায়ক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিলুপ্ত কমিটির কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক ছুরি ও ককটেল নিয়ে আমাদের ধর্ষণবিরোধী মিছিলের ওপর হামলা চালায়।