প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী শিশু থেকে বয়স্ক সব বয়সী মানুষ সব ঋতুতে নানা রকম প্রসাধনী ব্যবহার করে। ঋতুভেদে ত্বকের সুরক্ষা ও বিশেষ যত্নের খাতিরে যে প্রসাধনী সামগ্রীই ব্যবহার করা হোক না কেন তা অবশ্যই মানসম্পন্ন হতে হয়। অন্যথায় শরীরে ও ত্বকে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের তেল, সাবান, শ্যাম্পু, মেহেদি, লিপস্টিক, নেইল পলিশ, বিভিন্ন ধরনের লোশন, ক্রিম, ভ্যাসলিন, বডি স্প্রেসহ আরো অনেক প্রসাধনী পাওয়া যায়। কিন্তু ভোক্তাদের বিপুল চাহিদাকে পুঁজি করে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী নকল ও মানহীন প্রসাধনী সামগ্রী বাজারজাত করে। মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তারা শিশুসহ সব বয়সী ব্যবহারকারীদের ঠেলে দিচ্ছে নানারকম ক্ষতির মুখে। প্রয়োজনীয় উপাদান এবং গ্রহণযোগ্য মাত্রা নীতি অনুসরণ না করে প্রসাধনী সামগ্রীতে দেশ-বিদেশের নামিদামি প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়। ফুটপাত থেকে শুরু করে স্থানীয় বাজারের দোকানগুলোতে এসব ভেজাল ও নকল সামগ্রী সহজলভ্য। আবার, প্রান্তিক পর্যায়ে ফেরি করেও বিক্রি করা হয় এসব। শীতকালে এদের অপকর্মের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যায়। মুখ, হাত ও পায়ের চামড়ায় ক্ষত, পুড়ে যাওয়া, চুলকানি, চুল পড়ে যাওয়াসহ নানা ধরনের শারীরিক ক্ষতির কারণ নকল প্রসাধনী ব্যবহার। বিভিন্ন সময় নকল ও মানহীন সামগ্রী প্রস্তুত ও বাজারজাতকরণে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনলেও সাময়িক বিরতি দিয়ে আবার তাদের অসাধু কাজকর্ম শুরু হয়। এক্ষেত্রে নিয়মিত তদারকি ও দীর্ঘমেয়াদি সাজা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতাদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
আবু ফারুক
বনরুপা পাড়া, বান্দরবান