বগুড়ার শেরপুরে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করল এলাকাবাসী। এদিকে কুমিল্লায় কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে চার জন এবং নীলফামারীর সৈয়দপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ফায়ারম্যানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
শেরপুর (বগুড়া) : শেরপুরে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর ধর্ষককে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। গত শনিবার রাতে উপজেলার চোমরপাথালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষক সাইফুল ইসলাম পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বাদি হয়ে গতকাল রবিবার থানায় মামলা করেন। শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম আবুল কালাম আজাদ জানান, আটক ব্যক্তিকে রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
কুমিল্লা : কুমিল্লায় কিশোরীকে অপহরণের পর পাঁচ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার দক্ষিণ শোভারামপুর নোয়াপাড়া গ্রামের ঐ কিশোরীকে গত ১২ অক্টোবর পার্শ্ববর্তী দয়ারামপুর গ্রামের সামিউল ওরফে বাছির (১৮) তার বন্ধু হূদয়সহ অপহরণ করে। পরে তারা ঐ কিশোরীকে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওরা গ্রামের ভাড়া বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করে। গত শনিবার বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাছির কিশোরীকে তার নিজগ্রাম দয়ারামপুরে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে কিশোরীর বাবা-মা ও স্বজনরা ছুটে এলে বাছিরের মা ও অন্যান্যরা কিশোরীকে মারধরসহ মাথার একাংশের চুল কেটে দেয় এবং পরিবারের সদস্যদের লাঞ্ছিত করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ঐ কিশোরী বুড়িচং থানায় বাছির, তার বন্ধু হূদয়, মো. রানা ও বাছিরের মা লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
সৈয়দপুর (নীলফামারী) : সৈয়দপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে ফায়ার সার্ভিসের ফায়ারম্যান আবু সাঈদকে ওরফে সবুজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে সৈয়দপুর থানাপুলিশ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কল পেয়ে তাকে গ্রেফতার ও ঐ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রাতে গোলাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ঐ ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামি সবুজ পূর্ব বোতলাগাড়ী গ্রামের ওয়াবদা নতুনহাটের মৃত আইয়ুব আলীর পুত্র। সে রংপুরের তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ারম্যান হিসেবে কর্মরত। আসামিকে কারাগারে এবং ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।