এবার রোগীদের চিকিত্সাসেবার মান নিয়ে প্রতিযোগিতায় বাদ পড়েছে সরকারি নামিদামি চিকিত্সা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০১৫ সাল থেকে একটি বিশেষ মনিটরিং কমিটি কর্তৃক তিন ক্যাটাগরিতে চিকিত্সাসেবার গুণগত মানে শীর্ষে থাকাদের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়। প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই পুরস্কার প্রদান করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার সীমিত পরিসরে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই পুরস্কার প্রদান করেছেন।
সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা-উপজেলা হাসপাতাল এই তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। মনিটরিং করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস শাখা। কমিটিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউকে, ইউনিসেফ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন। কমিটির কাছে চাহিদা অনুযায়ী প্রতি মাসে স্ব স্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথ্য পাঠাবে। তাদের দেওয়া তথ্য সঠিক কি না সেটা যাচাই করতে কমিটির কর্মকর্তারা গোপনে বিভিন্ন হাসপাতালে যান। রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে রোগীদের সেবার মানের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও রয়েছে।
সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল ক্যাটাগরিতে ২০১৯ সালে প্রথম হয়েছে মাতুয়াইল স্পেশালাইজ হাসপাতাল। দ্বিতীয় শেরে বাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল এবং তৃতীয় হয়েছে তেজগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় নাক-কান-গলা (ইএনটি) ইনস্টিটিউট। মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। দ্বিতীয় হয়েছে দিনাজপুরের আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং তৃতীয় হয়েছে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। জেলা সদর হাসপাতাল ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে পিরোজপুর, দ্বিতীয় ভোলা ও তৃতীয় ঝিনাইদহ।