হাসপাতালের পরিবেশ

দেশের অধিকাংশ হাসপাতালের অবস্থা শোচনীয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবের পাশাপাশি নেই পর্যাপ্ত বেড কিংবা হাসপাতাল সংলগ্ন সুপেয় পানির টিউবওয়েল। টয়লেটগুলোর অবস্থা মর্মান্তিক। কোনো কল থেকে পানি আসে না, কোথাও স্যাঁতসেঁতে, কোথাও মগ নেই, বালব্ জ্বলে না। ডাক্তাররা ঠিকমতো দেখতে আসেন না, নার্সরা অনেক সময় ঝাড়ি দেন। কোথাও এক অক্সিজেনের সিলিন্ডার দিয়ে দু-তিন ওয়ার্ড চলছে। শুধু যাঁরা সরকারি হাসপাতালে যান তাঁরাই এসব সমস্যার সম্মুখীন হন। পাশাপাশি করোনা ওয়ার্ডেও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা অনেকে পাচ্ছেন না। হাসপাতালগুলোর বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই, মশা নিধনের সুব্যবস্থা নেই। এছাড়া ক্লিনিকগুলোতেও টেস্ট ফি আর ডক্টর ফি মিলিয়ে খরচ অগুনতি। আবার ডাক্তাররা এমন ওষুধের পরামর্শ দেন যে সেই হাসপাতাল ও ক্লিনিকের নিচ থেকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে আনা ছাড়া সম্ভব হয় না। সুতরাং বেসরকারি হাসপাতালের টেস্ট ফি কমান এবং সরকারি হাসপাতালের সিন্ডিকেট দূর করে সেখানে সাধারণ মানুষদের জন্য চিকিত্সার মান উন্নয়ন করুন এবং তা দ্রুত থেকে দ্রুততর। কর্তৃপক্ষ  বিষয়গুলো জরুরিভাবে আমলে নিয়ে রোগীদের দুর্ভোগ কমবে।

আল আমিন ইসলাম নাসিম

শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া