সুখকর হলো না বেলের ফেরা

স্পোর্টস ডেস্ক

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে টটেনহ্যাম হটস্পারে পাড়ি জমানোর পর থেকে সেদিনই প্রথম মাঠে নেমেছিলেন গ্যারেথ বেল। কিন্তু প্রায় সাত বছর পর লন্ডনের ক্লাবটির জার্সি গায়ে চড়ানোর দিনটা ভুলেই যেতে চাইবেন ওয়েলস ফরোয়ার্ড। শেষ দশ মিনিটে তিন গোলের অগ্রগামিতা হারিয়ে ওয়েস্ট হ্যামের সঙ্গে ৩-৩ ড্র করেছে যে তার দল!

দ্বিতীয় মিনিটে সন হিউং মিনের গোল। এরপর ১৬তম মিনিটেই যখন হ্যারি কেইন জোড়া গোলের দেখা পেলেন, রবিবার রাতের এই ম্যাচে সহজ জয়কেই মনে হচ্ছিল হোসে মরিনহোর দলের নিয়তি। প্রথমার্ধ্বে আর গোল হয়নি। হয়নি পরের অর্ধের প্রথম ৩৬ মিনিটেও। যা হয়েছে শেষ দশ মিনিটে।

ফ্যাবিয়ান বালবুয়েনার গোলে ৮২ মিনিটে ব্যবধান কমায় সফরকারী ওয়েস্ট হ্যাম। এর মিনিট তিনেক পর দাভিনসন সানচেজের আত্মঘাতী গোল। আশি মিনিট পর্যন্ত তিন গোলে পিছিয়ে থাকা দল প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে কখনোই ম্যাচ জিততে পারেনি। সে অসম্ভবটাই ডেভিড ময়েসের দল সম্ভব করে শেষ বাঁশির একটু আগে, ম্যানুয়েল লানজিনির দূরপাল্লার এক শটে।

টটেনহ্যাম এর আগে এ ড্র এড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল কমপক্ষে দুইবার। কেইনের শট প্রতিহত হয়েছে গোলপোস্টে। সুযোগ পেয়েছিলেন বেলও। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট এক শট করে সেটা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনিও।

টটেনহ্যাম কোচ মরিনহো অবশ্য একে দেখলেন স্বাভাবিক দৃষ্টিতেই, ‘এমন এক সময়ে এটা ঘটেছে যখন সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। কেইনের শট ফিরল গোলপোস্টে লেগে, বেল একটা সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এটাই ফুটবল।’

তবে প্রতিপক্ষকে ড্রয়ের কৃতিত্বটা দিলেন পর্তুগিজ এই কোচ। বললেন, ‘ভাগ্য সহায় ছিল তাদের। তবে তারা দারুণ লড়েছে। আর তাই প্রশংসা করতেই হবে তাদের।’

এদিকে ওয়েস্ট হ্যাম কোচ ময়েস জানালেন, কোনো পরিবর্তন না আনাটাই ফল দিয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ইংলিশ এই কোচের ভাষ্য, ‘সিদ্ধান্ত না নেওয়াটা কঠিন ছিল কারণ এমন অবস্থায় সব কোচই পরিবর্তন এনে পরিস্থিতি বদলাতে চান। আমার মনে হচ্ছিল না এটা আমাদের প্রয়োজন, আমরা ভালোই খেলছিলাম।’

দিনের অন্য ম্যাচে লেস্টার সিটি হেরেই গেছে অ্যাস্টন ভিলার কাছে। রস বার্কলের অন্তিম সময়ের গোলে লিভারপুলের পর লেস্টারের বিপক্ষেও জয় তুলে নেয় দলটি।