বাজার সিন্ডিকেটের কারণে ৩০ টাকার আলু ৫০ টাকা। কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ২০০ টাকার বেশি। ছড়া ৪৫ টাকা। ৪০ টাকার নিচে কোনো কাঁচা তরকারি নেই। পেঁয়াজের দাম ৯০/৯৫ টাকা। এ অবস্থায় ম্যাজিস্ট্রেট আর কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতাদের মাঝে চলছে চোর-পুলিশ খেলা। ভ্রাম্যমাণ আদালত বাজার তদারকি করছেন দফায় দফায়। সবজি বিক্রেতারা যখন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রটের গাড়ি আসতে দেখে, তারা দোকান থেকে উঠে দূরে চলে যায়। কারণ তাদের কাছে অতিরিক্ত দামে সবজি বিক্রি করেছে যে, তার রসিদ নেই। দোকানিকে দোকান রেখে পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে বলে, সরকার নির্ধারিত দামে সবজি বিক্রি করা সম্ভব না। বেশি দামে বিক্রি করতে পারলে তাদের মুনাফা বেশি। আবার কিছু বিক্রেতা বলছেন, সবজি বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাই তাঁরা বেশি দামে বিক্রি করছেন। প্রকৃতপক্ষে সবাই যদি সবার থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে, তবে সমস্যার সমাধান হবে কী করে? সবজি বিক্রেতাদের উচিত সরকারি কর্মকর্তা অথবা ম্যাজিস্ট্রেটদের সবদিক থেকে সহযোগিতা করা। যাতে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকে।
তাসনিম হাসান মজুমদার
শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, চট্টগ্রাম কলেজ