বিশেষ প্রতিনিধি
বিদেশগামীদের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করে সনদ দিতে ১০টি বেসরকারি রোগ নির্ণয়কেন্দ্র সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো—মহাখালীর আইসিডিডিআর.বি, সোবহানবাগের ডিএমএফআর মলিকিউলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, প্রাভা ডায়াগনস্টিক ও ধানমন্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মহাখালীর ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইদেশি), ধানমন্ডির ল্যাবএইড, স্কয়ার, এভার কেয়ার ও ইউনাইটেড হাসপাতাল।
অনুমোদিত ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশগামীদের কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার অনুমতি চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় এ অনুমোদন দেয়। বিদেশগামীদের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৈরি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে সনদ ইস্যু করতে হবে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরুর আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসে আটকা পড়েছেন অন্তত দেড় লাখ বাংলাদেশি। তাদের ফেরার ক্ষেত্রে ‘করোনা ভাইরাসমুক্ত’ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করে বিভিন্ন দেশ। এতদিন ঢাকায় জেলা সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটের অস্থায়ী কোভিড-১৯ আইসোলেশন সেন্টারে বিদেশগামীদের নমুনা পরীক্ষা সংগ্রহ করে সনদ দেওয়া হচ্ছিল। ঢাকার বাইরে আরো ১৩টি জেলা বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও সিলেটের সিভিল সার্জন অফিস থেকেও বিদেশগামীদের কোভিড-১৯ সনদ দেওয়া হতো। বিদেশে গমনেচ্ছু যাত্রীদের যাত্রা শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে নমুনা দিতে হয়। এসময় পাসপোর্ট ও টিকিটের অনুলিপি দিতে হয়। দেখাতে হয় পাসপোর্ট ও টিকিট। নমুনা সরকারি ল্যাবে পরীক্ষা করে যাত্রার ২৪ ঘণ্টা আগে রিপোর্ট দেওয়া হয়। ২০ জুলাই থেকে বিদেশগামীদের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা শুরুর পর ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে ফি নেওয়া হচ্ছিল। ২৪ আগস্ট সরকার সেই ফি কমিয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে।