বন্ধুরা, কেমন আছ তোমরা? নিশ্চয়ই ভালো? আজ তোমাদের মজার কিছু গ্যাসের গল্প শোনাব।
প্রথমেই বলছি, যাদের খুব মন খারাপ হয়ে আছে, হাসতে পারছ না, তাদের জন্য আছে লাফিং গ্যাস। শুনে নিশ্চয়ই হাসি পাচ্ছে? এ আবার কী গ্যাস, তা-ই নয় কি? সত্যি এক গ্যাস আছে—যার রাসায়নিক নাম নাইট্রাস অক্সাইড। এ গ্যাস সামান্য পরিমাণে নিঃশ্বাসে মিশে গেলেই তুমি হেসে হবে কুটিকুটি। তবে ভাবনার বিষয় হলো, কাউকে হাসাতে গিয়ে ভালোবেসে যদি বেশি পরিমাণে দিয়ে দাও তবে হিতে বিপরীত হবে। সে অজ্ঞান হয়ে যাবে।
হাসি তো হলো। এবার এসো আরেকটি গ্যাসের কথা বলি। তা হলো কাঁদুনে গ্যাস। যার রাসায়নিক নাম ক্লোরোপিক্রিন। চোখে লাগলেই চোখ জ্বলে আর জল গড়িয়ে পড়ে। কাঁদিয়ে ছাড়ে বলেই এ গ্যাসকে কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়। তোমরা কেঁদো না, কেমন?
আচ্ছা কান্না হলো। এবার এসো কিছু খেয়ে নিই। ড্রিংকস কার না পছন্দ, বলো? অনেক মজা করে খাই, তা-ই না? পানীয় এই খাবারে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস থাকে। এর রাসায়নিক নাম ওয়াটার গ্যাস। বোতলের মুখ খোলার সাথে সাথে বুদ্বুদ করে বেরিয়ে আসে এই গ্যাস।
এবার শোনাব মাস্টার্ড গ্যাসের কথা। রাসায়নিক পদার্থ ইথিলিনের সাথে সালফার ক্লোরাইডের বিক্রিয়ায় তৈরি হয় এই গ্যাস। এটি অত্যন্ত বিষাক্ত একটি গ্যাস। তোমরা নিশ্চয়ই বিশ্বযুদ্ধের কথা শুনেছ? প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তা-ই না? প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে শত্রু মোকাবিলা করতে এই বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহূত হয়েছিল।
রসায়নের মাঝে অনেক মজা, তা-ই না? ভালো থেকো বন্ধুরা।