গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত শেখ হাসিনা সেতুর ল্যাম্পপোস্টের অনেকগুলোতেই জ্বলছে না বাতি। পর্যাপ্ত আলোর অভাবে সন্ধ্যার পর যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার পাশাপাশি দেখা দিয়েছে সেতুর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৮৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুতে চলাচলের সুবিধার্থে ৩৭টি ল্যামপোস্ট স্থাপন করা হয়। এসবের মধ্যে মাত্র ছয়টি জ্বলছে। স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশা ও টেম্পোতে করে হাজার হাজার লোক প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত সেতু দিয়ে যাতায়াত করে। জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সেতুটি উদ্বোধন করেন। এতে পার্শ্ববর্তী জেলা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, কালিগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলাসহ আশপাশের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার এসআই ফারুক হোসেন বলেন, ব্রিজটি বেশ কিছুদিন থেকে অন্ধকারে থাকার কারণে সেখানে ডিউটি করতে সমস্যা হচ্ছে। তাছাড়া অন্ধকারে কে কোথায় কী করছে, বোঝা বড় মুশকিল। গঙ্গাচড়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুশান্ত কুমার সরকার রাতে অন্ধকার সেতু পরিদর্শনকালে বলেন, এভাবে সেতু অন্ধকারে থাকলে যে কোনো সময় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটতে পারে।
লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী বলেন, শেখ হাসিনা সেতুতে এখন সন্ধ্যার পর আলোর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে লোকজন যাতায়াত করছে। তাছাড়া ল্যামপোস্টে নিম্নমানের বাল্ব লাগানোর কারণে বারবার নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, গঙ্গাচড়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইব্রাহিম আলী বলেন, সেতুর ল্যাম্পপোস্ট মেরামত কাজের জন্য একটি প্রকল্প কিছুদিন আগে দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সেটি পাশ হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, রংপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল হক বলেন, বিষয়টি দেখছি এবং আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা করছি।