বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি

বাজারে আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণগুলো

কী এবং এর পেছনে সিন্ডিকেট কতটা দায়ী তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের

মতামত আজ প্রকাশিত হলো।

বাজারে ডাল ছাড়া সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির নিয়ামক হিসেবে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টি, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি অনেকাংশে দায়ী। এর পাশাপাশি দায়ী সিন্ডিকেট নামক সুযোগ সন্ধানীরা। কিছুদিন পূর্বেই আমরা দেখেছি ভারত পেঁয়াজের রপ্তানি বন্ধ করতে না করতেই বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। সর্বোপরি সঠিক মনিটরিংয়ের অভাবে বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতি হয়েছে।

ডা. মর্জিনা আক্তার, গুলশান, ঢাকা

মহামারি করোনা ও অপর্যাপ্ত উত্পাদনের কথা বললেও আলুসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য লাগামহীন হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে তথাকথিত সিন্ডিকেট চক্রের কারসাজি। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধিতে দুর্ভোগ বাড়ে স্বল্প আয়ের মানুষের। নিয়মিত বাজার তদারকির অভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা অনৈতিক মুনাফা হাতিয়ে নেয় ।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান

সরবরাহ কমবেশি হলে বাজার মূল্য কমবে-বাড়বে এটা স্বাভাবিক। তবে পরিবহন খরচ, দোকানের অতিরিক্ত ভাড়া ও অতিরিক্ত অগ্রিম জামানত, বাজার ব্যবস্থাপনায় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট, করোনা কালীন লকডাউনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত লাভ করা, বড় শহরগুলো থেকে উপশহরে দেশীয় পণ্য সরবরাহ কম হওয়া, বন্যায় উত্পাদন কম হওয়া, আমদানি নির্ভরতার প্যাকেজিং খরচ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ,

মিরপুর, ঢাকা

একদিকে করোনা সংক্রমণ, ত্রাণ বিতরণ, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়, বন্যাসহ একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাজারে নানা সামগ্রীর দাম বেড়েই চলেছে। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ মনিটরিংয়ের অভাব। যার কারণে সবচেয়ে বেশি সংকটের মধ্যে আছে স্বল্প আয়ের মানুষ। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে এ সমস্যা সহজেই দূর করা যাবে বলে আশা করা যায়।   

সাদিয়া সুলতানা মাহি

সাভার, ঢাকা

আলু, পেঁয়াজ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণ উত্পাদন হ্রাস বা আমদানি সংকট। সিন্ডিকেটের মজুদদারির কারণেও বাজারে সাময়িকভাবে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে। এছাড়া অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টিতে এবারের ফসলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। পাইকারি বাজারেও রয়েছে জটিলতা।

মনিরুজ্জামান

এয়ারপোর্ট, ঢাকা

প্রকৃত কৃষকরা কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম কখনোই পান না। সুশাসন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে দ্রব্যমূল্যের উপর এই রাম রাজত্ব চলতেই থাকবে।

কৃষিবিদ মো. শাহবুল্লাহ সরকার

কালীগঞ্জ, গাজীপুর

মানুষের দুর্যোগ এবং দুঃসময়ে তার মাথায় বাড়ি দিয়ে, কোমর ভেঙে দিয়ে আখেরে যে লাভের গুড়কে পিঁপড়ার খাদ্যে পরিণত করা হয়, সেটা অতিমুনাফাখোর সিন্ডিকেটের তথাকথিত ব্যবসায়ী নামধারী মজুতদাররা বোঝে না! কারণ তাদের মধ্যে না আছে মানবতা, না আছে দেশের মানুষের প্রতি ন্যূনতম দায়িত্ববোধ। এসব অতিমুনাফালোভী মালিক, পাইকার, মজুতদার কোটি কোটি টাকা লুট করে নেয় সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে। তাদের সেই অপরাধের লাগাম টেনে ধরতে সরকারের পক্ষ থেকে আলুর দাম বেঁধে দেওয়ার পরও সেটা তারা মানেনি। নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে সিন্ডিকেটের লাগাতার ভাঁওতাবাজি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা প্রকট! ভোক্তার অধিকার নিশ্চিতকরণে, ভোক্তার স্বার্থরক্ষায় আমাদের আইনিব্যবস্থা কার্যকর নয়। তাই জনগণের স্বার্থরক্ষা, ভোক্তার অধিকার রক্ষায় সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

বিলকিছ আক্তার

কাউনিয়া, রংপুর

অতিবৃষ্টি, বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে শাকসবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাজারে শাকসবজির দাম অনেক বেড়ে যায়। তখন আলুই একমাত্র অবলম্বন হয়ে দাঁড়ায়। বিগত কয়েক বছরে কৃষকের আলু চাষে লোকসান হওয়ায় আলু উত্পাদনে তারা উত্সাহ হারিয়ে ফেলেছে। ফলে এবার উত্পাদনও কমে গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের উপর সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার কারণে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মোহাম্মদ ইসলাম

পুরানা পল্টন, ঢাকা

কৃষিপ্রধান এই দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি একটি সংস্কৃতিতে রূপ নিয়েছে। কৃষকেরা তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। কিছু অসাধুচক্র সিন্ডিকেট করে অনৈতিক ফায়দা লুটে নেয়। সেই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার গাফেলতি, ধীরগতি, অসাধু প্রভাবশালীদের ওপর আইন প্রয়োগের অনিশ্চয়তা, স্বজনপ্রীতি, বাম হাতের কারবার ইত্যাদিও দায়ী।

মো. আবদুর রাজ্জাক নাছিম

চান্দাইকোনা, শেরপুর, বগুড়া

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিশেষ করে এই মুহূর্তে আলু এবং কাঁচা মরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী। মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে অবশ্যই সিন্ডিকেট জড়িত । মাঝে মাঝে হঠাত্ করেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায় । তাই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সিন্ডিকেটের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি প্রয়োগ করলে কিছুটা সুফল পাওয়া যেতে পারে।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

বাজারে আলু, চাল, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সিন্ডিকেটই  ৭০ শতাংশ দায়ী। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার লোভে সিন্ডিকেট করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায়। সিন্ডিকেট দমন করতে প্রয়োজন সরকারের নজরদারি।

মো. রুহুল আমিন

গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ

বাজারে আলুসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ সিন্ডিকেট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে সমস্যায় ভুগছে সাধারণ জনগণ। সিন্ডিকেট দমন করতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মো. আল আমিন সুমন

সরিকল, গৌরনদী, বরিশাল

গত কিছুদিন যাবত্ বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য এত পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণেই এমনটি ঘটছে, যার নিয়ন্ত্রণ সরকারের বাইরে চলে যাচ্ছে দিন দিন। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থায় দুর্বলতা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের জন্য বাজার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সদিচ্ছা থাকা দরকার।

এস এম হূদয়

ঢাকা

উত্তরাঞ্চলে টানা প্রায় চার মাসের বন্যা, চলমান করোনা ক্রান্তিকাল এবং বিপুল পরিমাণ আলু রপ্তানি করায় চাহিদার তুলনায় জোগানের ঘাটতি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। ফলে দামও কিছুটা বেড়ে যাওয়া যৌক্তিক হলেও হঠাত্ করে প্রায় দ্বিগুণ মূল্যবৃদ্ধির সিংহভাগ দায় সিন্ডিকেটেরই। সরকার ও প্রশাসনের বিশেষ পদক্ষেপে বাজার পরিস্থিতি পুনরায় কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এর একটা স্থায়ী সমাধান কাম্য।

আবু ফারুক

বনরুপাপাড়া সদর, বান্দরবান

প্রলম্বিত বন্যা, করোনা পরিস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণ এবং মজুতের স্বল্পতা ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার পেছনে দায়ী । আলুসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অপ্রতুল জোগান ও নিয়ন্ত্রণহীন মূল্যবৃদ্ধির জন্য সিন্ডিকেটও অনেকাংশে দায়ী। সরকারের যথাযথ উদ্যোগ ও কঠোর নিয়ন্ত্রণে দাম আগের চেয়ে কমলেও পরিস্থিতি এখনো সাধারণ মানুষের অনুকূলে নয়।

মোহাম্মদ ফয়সাল

পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম

অতিলোভী মুনাফাখোরদের হাত থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। তাদের শায়েস্তা করা না গেলে দ্রব্যমূল্যের সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

আলু, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের উত্পাদন কৃষক ও কৃষি শ্রমিক নির্ভরশীল। জলবায়ু পরিবর্তনে বন্যা, খরা, অসময়ে বৃষ্টি ইত্যাদির কারণে উত্পাদন ব্যাহত হয়। ফলে বেড়ে যায় দ্রব্যের দাম।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল, গাজীপুর

দ্রব্যমূল্যের আগুনে জ্বলছে ভোক্তাসাধারণ। করোনা মহামারির মধ্যে এমনিতেই মানুষের আয়রোজগার কম। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সীমিত আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। কৃষকও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। এর মধ্যে লাভবান হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী ফড়িয়া ও সিন্ডিকেট চক্র। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া খুবই জরুরি।

মো. জিল্লুর রহমান

গেন্ডারিয়া, ঢাকা

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য দায়ী মুনাফাখোর কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী।

সালেহা আফরিন বেবী

শিবগঞ্জ, সিলেট

বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজার সিন্ডিকেট অনেকাংশে দায়ী মূল্য বৃদ্ধির জন্য। সিন্ডিকেট চক্র অতিরিক্ত লাভের আশায় পণ্যের বাজারমূল্য বাড়িয়ে দেয়।

ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

বাজারে আলুসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। মূল্য বৃদ্ধির অনেকগুলো কারণের অন্যতম হচ্ছে সিন্ডিকেট এর বিষয়টি। যদিও সরকার বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে। তবে নিয়মিত মনিটরিং চালিয়ে যেতে হবে।

বজলুল করিম

ধানমন্ডি, ঢাকা

নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। বিশেষ করে আমাদের নিত্যদিনের তরকারি পণ্য আলুর দাম অনেক বেশি। আলুর পাইকারি ও খুচরা মূল্য যথাক্রমে ২৫ ও৩ ০ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হলে্্্্্ও কেউ তা মানছে না। শুধু আলু কাঁচা মরিচর মূল্য বৃদ্ধি নয়, প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টিও নিয়মিত তদারকি করা একান্ত জরুরি।

এস কে মো. রমিজউদ্দিন

কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

বাজারে আলুসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ সিন্ডিকেটের নানা রকম কৌশল। সবজিসহ অন্যান্য পন্যের দাম যেন স্থিতিশীল থাকে, সেজন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

হোসনে আরা বাশার

হাজারীবাগ, ঢাকা

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মূল কারণ হলো অসাধুতা আর সিন্ডিকেট চক্র। এই দুটি শ্রেণিকে যদি সরকার কঠোরভাবে দমন না করে, তাহলে এ দেশে কখনোই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কমানো সম্ভব হবে না।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)

হাউজিং স্টেট রাজশাহী

একমাত্র বাজার সিন্ডিকেটের কারণেই ৩০ টাকার আলু ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকার বেশি। পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকা কেজি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন কর্মপরিকল্পনা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা।

আল মায়ামী

ফুলবাড়িয়া, সাভার

আলু  গরিব ও মধ্যবিত্তের অন্যতম প্রধান খাবার। অথচ বাজারে এর দাম বেড়েই চলেছে। দেশে বছরে আলুর চাহিদা ৮০ লাখ টন। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী গত মৌসুমে উত্পাদিত হয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ টন। আলুসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণই হচ্ছে সিন্ডিকেট। সুতরাং এ সিন্ডিকেটের দিকে সঠিকভাবে নজর দিতে হবে।

মো. খায়রুল ইসলাম ফুল

আরাপুর, ঝিনাইদহ