আমার নেতাকর্মীদের জন্য ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়াতেও প্রস্তুত আছি ---------- নিক্সন চৌধুরী

ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে ভাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ জামে মসজিদের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। তার আসার খবরে নেতাকর্মীরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদগাহ মাঠে ভিড় জমান। এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার রাজনীতি জনগণের জন্য, জনগণের উন্নয়ন ও মূল্যায়ন আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আচরণবিধি ভঙ্গের মামলার শিকার হয়েছি; এর জন্য আমার কোনো ভয় নেই। আমি আমার নেতাকর্মীদের জন্য প্রয়োজনে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়াতে প্রস্তুত আছি।’

তিনি বলেন, ‘ফরিদপুর-৪                আসনের জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে দুই বার এমপি নির্বাচিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছেন। ঠিক তেমনি তার অনুপ্রেরণায় ফরিদপুর-৪ আসনে প্রতিটি রাস্তাঘাট, বিদ্যুত্, ব্রিজ, কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভবনসহ নানা উন্নয়ন করে বাংলাদেশের মধ্যে ফরিদপুর-৪ আসনকে রোল মডেলে পরিণত করেছি। সবই সম্ভব হয়েছে জনগণ আর প্রধানমন্ত্রীর জন্য।’

নিক্সন চৌধুরী এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চেয়ে বলেন, ফরিদপুরের ডিসি যেভাবে ভাঙ্গার জনগণের ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাত্ করেছেন এবং ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) যেভাবে ভাঙ্গার জনগণের কাছ থেকে টাকা চুষে নিয়ে যাচ্ছেন, তার বিচার যেন করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরকারি জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে এবং খাসজমির ওপর বহুতল ভবন নির্মাণ করতে দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত্ করছেন। ভাঙ্গার জনগণ এসবের সঠিক বিচার চায়।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহকে উদ্দেশ করে তিনি আরো বলেন, পানামা কেলেঙ্কারিসহ নমিনেশন বাণিজ্যের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার যে নীল নকশা তিনি করছেন, তারও বিচার করতে হবে। এ সময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত্ হোসেন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহিনুর শাহিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফাইজুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ইসাহাক মোল্লা, তুজারপুর ইউপি চেয়ারম্যান পরিমল দাস, হামেরদী ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামচুল আলম রাসেল, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুর রহমান, সরকারি কে এম কলেজের সাবেক জিএস লাবলু মুন্সি, আওয়ামী লীগের নেতা ইসমাইল মুন্সি, শরীফাবাদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমান প্রমুখ।