জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউটে শয্যাসংখ্যা ১২০০ করা হচ্ছে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘এই করোনা সংকটকালে দেশের স্বাস্থ্য খাত করোনা মোকাবিলা করার পাশাপাশি অন্যান্য চিকিত্সা সেবা অব্যাহত রেখেছে। এক দিকে কোভিড নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে, অন্য দিকে নন-কোভিড চিকিত্সাসেবা বৃদ্ধি করা নিয়েও কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই আট বিভাগে আটটি উন্নতমানের ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দেশের সব হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণ করা হচ্ছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বেড সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ হাজার করা হচ্ছে। একইভাবে জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট  হাসপাতালকে ৭০০ শয্যা থেকে খুব শিগিগরই ১ হাজার ২০০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। সবই করা হচ্ছে মানুষের চিকিত্সাসুবিধা বৃদ্ধি করার জন্যই।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নবনির্মিত কার্ডিয়াক ক্যাথল্যাব জোন-২-এর শুভ উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকারের সফলতা তুলে ধরেন ও চিকিত্সাসেবায় নিয়োজিত চিকিত্সক, নার্সদের ধন্যবাদ জানান।

করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে উত্সাহ দিয়ে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে করোনা ভ্যাকসিন আনা প্রসঙ্গে জানান, ‘এখন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোনো দেশকে ভ্যাকসিনের স্বীকৃতি দেয়নি। যখনই কোনো দেশ স্বীকৃতি পাবে আমরা সবার আগে সেটি দেশে নিয়ে আসব। ভ্যাকসিন আনতে সরকার অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখে চলেছে। ভ্যাকসিন অনুমোদিত হলে আমাদের দেশে আনতে কোনো বিলম্ব হবে না।’

জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম, স্বাচিপ-এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ প্রমুখ।