মিষ্টান্ন বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান মি. বেকারের বিরুদ্ধে ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ ওঠায় ভ্যাট গোয়েন্দা বিভাগ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে ব্যাংকগুলোর কাছে। একই সঙ্গে ব্যাংকে রক্ষিত হিসাবও সাময়িকভাবে জব্দ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির ৩৫টি বিক্রয় কেন্দ্রে ক্রেতাদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করা হলেও নিয়ম মেনে ভ্যাট চালান দেওয়া হয় না—এমন একাধিক অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভ্যাট গোয়েন্দা দল গতকাল বৃহস্পতিবার মি. বেকারের গাজীপুরের কারখানায় তল্লাশি চালিয়ে কিছু নথিপত্র জব্দ করে। ভ্যাট গোয়েন্দা বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, কারখানা পরিদর্শনকালে ভ্যাট সংক্রান্ত দলিলাদি মালিকপক্ষ দেখাতে পারেননি এবং এগুলো সংরক্ষণ না করার বিষয়ে তারা কোনো সদুত্তরও দিতে পারেননি। ভ্যাট গোয়েন্দাদের অভিযানের আশঙ্কায় প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে মালিকপক্ষ নিজস্ব বাণিজ্যিক দলিলাদিও রাখেন না। এতে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে, নিজস্ব মনগড়া হিসাবের ভিত্তিতে ‘মি. বেকার’ স্থানীয় ভ্যাট অফিসে রিটার্ন দাখিল করে আসছে। একই সঙ্গে তারা ভোক্তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ভ্যাট সরকারি কোষাগারে সঠিকভাবে জমা দেননি।
ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান ইত্তেফাককে বলেন, আইন অনুযায়ী আমরা তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছি। তথ্য পাওয়ার পর আবার হিসাব খুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, যাদের ১০০ কোটি টাকার ওপরে লেনদেন রয়েছে, তাদের বিষয়ে আমরা খোঁজ নিচ্ছি।