স্পোর্টস রিপোর্টার
দেশের আবহাওয়া খারাপ। বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে চলাচল করা কঠিন। শুক্রবার ছুটির দিন। দুপুরে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন, সহসভাপতি এবং ডেভেলপম্যান্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক, বাফুফের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর পল স্মলী, ফর্টিস গ্রুপের শাহাদাত হোসেন, বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে নিয়ে ঢাকার বেরাইদে বাফুফে-ফর্টিস একাডেমিতে হাজির হন। সংবাদ মাধ্যমেরও ভিড়। ঘুরে ঘুরে ক্যাম্প দেখলেন বাফুফের সবাই। বাফুফে সভাপতি তিনটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার কথা বললেন। লং, শর্ট এবং মিডটার্ম, এই তিন খাতে অনূর্ধ্ব ১৪, ১৫ এবং ১৬ বছর বয়সের ফুটবলারদের নিয়ে কাজ করার কথা বললেন তিনি। সবার সহযোগিতা চাইলেন বাফুফে সভাপতি। চতুর্থ বারের মতো বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাহউদ্দিন। কর্মকাণ্ডে আগের চেয়েও বেশি তত্পর। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ‘শুক্রবারও কাজ করছি। কাজ করতে হবে ফুটবলারদেরও। সব সাপোর্ট দিতে প্রস্তুত। সবাইকে কাজ করতে হবে। আমি আছি। আগামী ৩০ দিন ডেভেলপম্যান্ট কমিটির পরিকল্পনা করছি। এরপরই মূল পরিকল্পনাটা বলতে পারব। এই মুহূর্তে প্রচুর কাজ করছি।’
ফুটবলের জন্য এবার পৃথক স্টেডিয়াম চাইলেন বাফুফে সভাপতি। সালাহউদ্দিন বললেন, ‘নিজস্ব স্টেডিয়ামের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কেও বুঝাবো যেন আরো বেশি ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরি করে।’
করোনার কারণে একাডেমি বন্ধ ছিল। এটি আবার খুলতেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাফুফে বিভিন্ন বয়সের খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করবে সারা দেশ হতে। সেই খেলোয়াড়দের ক্যাম্পে উঠাতেই গতকাল একাডেমি পরিদর্শনে গিয়েছিল বাফুফের নীতি নির্ধারকরা।