মণ্ডপে নেই ভক্ত-দর্শনার্থীদের ঢল। করোনা ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ঘরে বসে পূজা করছেন। আশীর্বাদ কামনা করছেন ভক্তরা। চলছে সাত্ত্বিক পূজা। তবে সকাল থেকে বিরামহীন ঢাকের আওয়াজের সঙ্গে থেমে থেমে বাজছে কাসরঘণ্টা, শঙ্খনাদ আর উলুধ্বনি। সেই সঙ্গে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর অর্চনায় অবিরাম চণ্ডীপাঠ। এরই মধ্যে চলছে হিন্দুদের ভক্তিগীতি—‘জাগো দুর্গা, দশভুজা জগজ্জননী মা’, ‘শারদা শারদা রাগে’, ‘দুর্গতিনাশিনী দুর্গা মা, শুভমতিদায়িনী দুর্গা মা।’ ‘জগজ্জননী’ উমার ফেরার দিন ঘনিয়ে এলো। তিন দিন আগেই ‘অকালবোধনে’ কৈলাস থেকে তার অধিষ্ঠান হয়েছিল ঠাকুরঘরে। শরতের ষষ্ঠী থেকে দশমী তিথির পাঁচটি দিন পিতৃগৃহে বেড়াতে এসেছেন। মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের বোলে তাই যেন ধ্বনিত হচ্ছে বিদায়ি সুর।
গতকাল ছিল মহাষ্টমী। রাতে হয় সন্ধিপূজা। রাতে সন্ধিপূজার আগে সন্ধ্যায় হয় আরতি প্রতিযোগিতা। এবার অষ্টমীতে ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ মিশনের ঐতিহ্যবাহী কুমারীপূজা হয়নি।
আজ চন্দ্রের নবমী তিথিতে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হবে মহানবমী পূজা। বিশুদ্ধ দৃকসিদ্ধ পঞ্জিকাতে আজ তিথির প্রথম ভাগে নবমী। আজ পূর্বাহ্ন ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে কল্পারম্ভ ও মহানবমী বিহিতপূজা প্রশস্তা। আগামীকাল বিজয়া দশমীতে দুর্গা দেবীর দশমী বিহিতপূজা সমাপন ও দর্পণ বিসর্জন।