বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তা ভেঙ্গে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে রাস্তার উন্নয়ন না হওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রবিবার পৌরসভার বেশ কয়েকটি রোডে গিয়ে দেখা গেছে জলাবদ্ধতায় পৌরবাসীর ভোগান্তির চিত্র।
জানা গেছে, ২০০০ সালে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মির্জাপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পৌরসভার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম, ফরহাদ হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, পৌরসভার বয়স ২০ বছর হলেও বাড়েনি নাগরিক সুবিধা। সমস্যার মধ্যে রয়েছে, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তা-ঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। গত কয়েক মাসের বন্যা এবং টানা বৃষ্টিতে পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তা ও ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙ্গে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। কুমুদিনী হাসপাতাল রোড, কালিবাড়ি রোড হতে মির্জাপুর বাইপাস ও বাইপাস হতে ত্রিমোহন-বংশাই রোডের খুবই করুন দশা। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপর কখনো হাঁটু পানি আবার কখনো কোমর পানি জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। পৌরসভার কলেজ রোড, থানা রোড, বাওয়ার রোড, ইউনিয়নপাড়া রোড, বংশাই রোড, কালিবাড়ি রোড, মসজিদ রোডসহ প্রতিটি রাস্তার বেহাল অবস্থা। এছাড়া নয়টি ওয়ার্ডেও রাস্তা-ঘাটের খুবই বেহাল ও করুন অবস্থা।
আরো পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ অমান্য, আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন সৃজিত-মিথিলা
এদিকে পৌরসভার প্রয়াত মেয়র মো: সাহাদত হোসেন সুমন পৌরসভাকে ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করেন। সাবেক মেয়র সুমনের অকাল মৃত্যুতে থমকে গেছে পৌরসভার উন্নয়নমুলক কাজ এমনটা অভিযোগ উঠেছে। পৌরবাসী প্রতিটি রোডের উন্নয়নসহ রোডের জলাবদ্ধতা নিরসনের জোর দাবী জানিয়েছেন পৌরবাসী।
এ ব্যাপারে পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র সালমা আক্তার শিমুল বলেন, বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ সুষম উন্নয়নের জন্য প্রতিটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, এডিবি, জাইকা ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে উন্নয়ন কাজ করা হবে।
ইত্তেফাক/এমএএম