আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ধর্ষণসহ সব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনকারীদেরকে কেবল দল থেকে বহিষ্কারই করা হবে না, তাদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। এ জাতীয় ঘৃণ্য অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশ্রয়ের পথ বন্ধ করে দিতে হবে।
গতকাল রবিবার নিজ নির্বাচনি এলাকা নোয়াখালীর বসুরহাট ও কবিরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোত্সবে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনকারীদের দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এরা হলো দুর্বৃত্ত। ধর্ষক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হলেও ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীর পরিচয় অপরাধী।
সাম্প্রতিক সময়ে নারী নির্যাতনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে নোয়াখালীতেও নারী ধর্ষণ-নির্যাতনের মতো কতগুলো অশুভ ঘটনা ঘটে গেছে। নোয়াখালীর মানুষ হিসেবে এজন্য আমি নিজেও লজ্জিত। এ ধরনের ঘটনা যারা করে, তাদের দলীয় কিছু নেই। তারা হলো দুর্বৃত্ত। এই দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য গতিতে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই এগিয়ে যাওয়া যাদের গাত্রদাহ সৃষ্টি করেছে, তারা নানান অপকৌশলে দেশকে পিছিয়ে দিতে চায়। তাদের অপকৌশলের একটি হচ্ছে হিন্দু-মুসলমান বৈরিতা সৃষ্টি করা। সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। এদেশে হিন্দু, মুসলমান ও অন্য ধর্মাবলম্বী সকল লোকজনের সমান অধিকার। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।