হাইকোর্টের নির্দেশে সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের দুই ভাতিজিকে তাদের পৈতৃক বাসভবনে তুলে দিয়েছে পুলিশ। গত কয়েক দিন ধরে শত চেষ্টা করেও তারা তাদের পিতার বাসায় প্রবেশ করতে পারছিলেন না। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে এলে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় বসে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ। এরপরই হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মুশফিকা মোস্তফা ও মোবাশশারা মোস্তফা যাতে বিনা বাধায় তাদের পিতা মৃত মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেন, সেজন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে ঐ দুই মেয়ের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে বলা হয়। রাতেই গুলশান থানার ওসিকে আদালতের এই আদেশ অবহিত করেন হাইকোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান। আদালতের আদেশ পেয়েই তা বাস্তবায়ন করে রাত ৯টায় হাইকোর্টকে অবহিত করেন সংশ্লিষ্ট থানার ওসি।
আদালতে হাজিরের নির্দেশ
আগামী ১ নভেম্বর ফেরদৌস ওয়াহিদের দুই ভাতিজি ও আনজু কাপুরকে আদালতে হাজির থাকতে বলেছে হাইকোর্ট। তাদের হাজিরার বিষয়টি নিশ্চিত করতে গুলশান থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ১০ অক্টোবর করোনায় আক্রান্ত হয়ে পেশায় পাইলট মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের মৃত্যু হয়। এর আগে ২০০৫ সালে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। ঐ ঘরে তার দুই কন্যাসন্তান মুশফিকা মোস্তফা ও মোবাশশারা মোস্তফা রয়েছেন। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আনজু কাপুর নামের এক ভারতীয়কে বিয়ে করেন। আনজু কাপুর গুলশানের ঐ বাড়িতে থাকেন। মোস্তফা জগলুলের মৃত্যু হলে ঐ বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেন তার দুই মেয়ে। কিন্তু বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেন আনজু কাপুর। এ নিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।