দায়িত্বও বেড়ে গেল :সুমন খান

র্যাডফোর্ডের ক্লাসে এইচপি স্কোয়াড

স্পোর্টস রিপোর্টার

এক বছরের চুক্তিতে বিসিবির হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের (এইচপি) হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন টবি র্যাডফোর্ড। ঢাকায় নেমেই ‘অবশ্য নিজের মূল অ্যাসাইমেন্টে যুক্ত হতে হয়নি ইংলিশ এই কোচের। কোয়ারেন্টাইন, করোনা পরীক্ষার পর্ব শেষে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে নাজমুল একাদশের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার এক দিন পরই এইচপি স্কোয়াড নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন র্যাডফোর্ড। গতকাল হেড কোচের অধীনে বিসিবি একাডেমি মাঠে শুরু হয়েছে এইচপির অনুশীলন। ক্যাম্পে আছেন ২৬ ক্রিকেটার। গতকাল সকালে ক্রিকেটারদের সঙ্গে মিটিং করেছেন র্যাডফোর্ড। পরে পুরোদমে হয়েছে নেট সেশন।

জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুও সকাল থেকে উপস্থিত ছিলেন মাঠে। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে দীর্ঘক্ষণ র্যাডফোর্ডের সঙ্গে আলাপ করেছেন প্রধান নির্বাচক। সাইড আর্ম অ্যাকশনে করলে রিশাদ বেশি টার্ন পাবেন বলে মত র্যাডফোর্ডের। যেখানে রিশাদ এখন মাথার খুব কাছ থেকে বল ছোড়েন।  আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে স্কিল অনুশীলন। এর আগে গত ৭ অক্টোবর শুরু হয়েছিল এইচপির ক্যাম্প। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে খেলা এইচপি স্কোয়াডের ক্রিকেটাররা গতকাল যোগ দিয়েছেন ক্যাম্পে। ফাইনাল মাতানো সুমন খান, আফিফ হোসেন, আকবর আলী, তৌহিদ হূদয়রা উপস্থিত ছিলেন অনুশীলনে।

গতকাল অনুশীলন শেষে সুমন খান বলেছেন, ‘এইচপি একটা ভালো প্ল্যাটফরম, বিশেষ করে আমি এখানে এসেছি, আমার কোনো বয়সভিত্তিক খেলা ছিল না। আল্লাহর অশেষ রহমত বিসিবি একটা সুযোগ করে দিয়েছে এখানে থেকে নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য। নিজের স্কিল উন্নতি, ফিটনেস উন্নতি করার জন্য। সেক্ষেত্রে বলব এইচপি একটা ভালো জায়গা নিজেকে প্রস্তুত করার অন্যতম মাধ্যম।’

ফাইনালে ৫ উইকেট নিয়ে দলকে শিরোপা এনে দিয়েছেন সুমন খান। এখন পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখায় নজর দিচ্ছেন ডানহাতি এই পেসার। তিনি বলেছেন, ‘আসলে সবার প্রত্যাশা বেড়ে গেছে এখন, আমার দায়িত্বও বেড়ে গেল। পারফরম করাতে সবাই হয়তো ভাবছে সামনে আরো ভালো করতে হবে, তাহলে সুযোগ আসবে। এ জন্য আমার নিজের ওপরও দায়িত্ব এসেছে যে, এখন ভালো করছি সামনে আরো ভালো করার চেষ্টা থাকবে। এই ধারাবাহিকতাটাই যেন ধরে রাখতে পারি সে চেষ্টায় আছি।’