ইত্তেফাক রিপোর্ট
সাভারে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে কলেজ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান খুন হওয়ার তিন দিন পর সন্দেহভাজন দুই জনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-৪। সোমবার রাতে সাভারের রাজাশন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। গতকাল তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ থানার নিজাম শরীফের ছেলে আজাদ শরীফ ও সাভারের ডগরমোড়া এলাকার আব্দুল গনির ছেলে রনি ওরফে ডগি রনি। এরা সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার পেশাদার ছিনতাইকারী। এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া আরো দুই জন পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৪ জানায়, গত ২৪ অক্টোবর ভোরে রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার নওয়াপাড়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান একটি দূরপাল্লার বাস থেকে সাভারের শিমুলতলা এলাকায় নামেন। সিআরপি সড়কে কয়েক জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে এবং তার কাছে থাকা টাকা পয়সাসহ মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় মোস্তাফিজুর ছিনতাইকারীদের বাধা দিলে তারা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোস্তাফিজুর। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের পিতা মজিবুর রহমান সোমবার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় সাভার মডেল থানা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পাশাপাশি হত্যাকারীদের ধরতে মাঠে নামে র্যাব। সোমবার রাতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাভার পৌর এলাকার রাজাশন মহল্লায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-৪-এর এসআই কাউসার মাদবরের নেতৃত্বে একটি দল দুই জনকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
এ বিষয়ে র্যাব-৪-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার উনু মং বলেন, আটক দুই জনকে সাভার মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।