নিরাপদ পানি নিয়ে চঞ্চল চৌধুরীর কিছু কথা

 

‘আপনারা অনেকেই হয়তো এখনো ফুটিয়ে কিংবা পুরোনো উপায়ে পানি পরিশোধন করে থাকেন। আমিও একই কাজ করতাম। কিন্তু পানির দূষণ যেভাবে বেড়েছে, ফুটিয়ে কিংবা পুরোনো পদ্ধতিতে পানি পরিশোধন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই ১০০% নিশ্চিত সুরক্ষা দিতে পারে না। তা ছাড়া ফুটানো ও পুরানো উপায়ে পানিশোধন প্রক্রিয়া অনেক সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং এগুলোর কার্যকারিতা তুলনামূলকভাবে কম। দিন দিন পানিতে আরও যোগ হচ্ছে ই-কোলাই, মরিচা, সিসা, আয়রন, আর্সেনিক, ভারী ধাতুর মতো নতুন নতুন সব বিষাক্ত উপাদান। আর এ জন্য অ্যাডভান্সড টেকনোলজির বিকল্প নেই। যা শুধু নিশ্চিত করে নিরাপদ খাবার পানির সহজ সমাধান পিওরইট পিউরিফায়ার। পিওরইট পানিকে বিশুদ্ধ করে ৪টি ধাপে। এর পরিশোধন পদ্ধতি ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য বিষাক্ত উপাদান দূর করে পানিকে করে ফোটানো পানির থেকেও নিরাপদ। এ জন্য আলাদা করে বিদ্যুত্ কিংবা গ্যাসেরও প্রয়োজন হয় না। একেবারেই ঝামেলাহীন, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হওয়ায় বর্তমানে আমি নিজেও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পিওরইট-এর ব্যবহার শুরু করছি। নিজের পরিবারের পানির সুরক্ষায় কোনো আপস নয়।’ পিওরইট নিয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী আরও বলেন, ‘নিরাপদ পানি আমাদের সবার অধিকার। আমি মনে করি, যেকোনো কিছুর আগে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করাটা বেশ জরুরি। কারণ, পানিই জীবন। অনিরাপদ বা দূষিত পানি প্রভাবে মৃত্যুর খবর প্রায়ই খবরের কাগজে আসে। আর পানের পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের বাজারে কাজ করে আসছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের পিউরিফায়ার ব্র্যান্ড পিওরইট। দেশের বাজারে শুধু কেনা-বেচাতেই তারা সীমাবদ্ধ নয়, নিরাপদ পানির ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ‘এসডিজি-৬’ নিয়ে কাজও করছে তারা। সব মিলিয়ে পিওরইট-এর সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত।’ ঢাকার বিভিন্ন শপিং মলে পাওয়া যায় পিওরইট-এর পিউরিফায়ার। এ ছাড়াও নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বসুন্ধরা সিটি, মিরপুর, উত্তরা, গুলিস্তান, রামপুরাসহ বিভিন্ন প্লাস্টিক ও গৃহস্থালী সামগ্রীর দোকানে পাওয়া যাচ্ছে এই পিউরিফায়ার।