সর্বোচ্চ ব্যবহার হচ্ছে না শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর
অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ী এলাকায় নির্মিত শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর উদ্বোধনের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল পাচ্ছেন না স্থানীয়রা। লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার কুলাঘাট এলাকায় রত্নাই নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটি সংকীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে এ সমস্যা হচ্ছে। এর ওপর দিয়ে হালকা যানবাহন ছাড়া পণ্য পরিবহনের জন্য বড় ধরনের যানবাহন ও ফুলবাড়ী থেকে ঢাকাগামী কোনো নাইট কোচ চলাচল করতে পারছে না। মেসার্স মনোয়ার ট্রেডার্সের মালিক হেলালুল ইসলাম ও জেএম পেপার হাউজের মালিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাটে রত্নাই নদীর ওপর অনেক পুরাতন ও জরাজীর্ণ বেইলি ব্রিজের কারণে শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর সুফল থেকে আমরা ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত। বণিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা সরকার জানান, কুলাঘাটে রত্নাই বেইলি ব্রিজটির কারণে আমরা ফুলবাড়ীবাসীসহ চার উপজেলার ব্যবসায়ীরা সুফল পাচ্ছি না।
দেখা গেছে, শেখ হাসিনা ধরলা সেতু থেকে এক কিলোমিটার দূরে লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার কুলাঘাট এলাকায় রত্নাই নদীর ওপর বেইলি ব্রিজটি। লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুব আলম জানান, কুলাঘাটে রত্নাই নদীর ওপর ১৩৮ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের জন্য ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রোজেক্ট প্রোফর্মা) সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এ সেতু নির্মাণের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা চলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান জানান, শেখ হাসিনা ধরলা সেতুকে সার্বিক ব্যবহার উপযোগী করে তোলা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দুই জেলার সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।