এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের জরিপ
ইত্তেফাক রিপোর্ট
কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে আর্থিক দুরবস্থায় পড়া পরিবারের ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এসব শিক্ষার্থী পরিবারে সহায়তা করতে গিয়ে পড়াশোনা ছেড়েছে। তাদের আয় কমে গেছে ৮০ শতাংশের মতো। গতকাল রবিবার ‘কোভিড-১৯ ও বাংলাদেশ : আর্থসামাজিক পুনরুজ্জীবনে যুব এজেন্ডা’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপে এ তথ্য তুলে ধরে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফরম, বাংলাদেশ। অক্টোবরে পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। ১ হাজার ১৬৩ জনের ওপর অনলাইনে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। এর ফলাফলে বলা হয়েছে, অতিমারির কারণে প্রযুক্তিগত বৈষম্য, শিক্ষা ও দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। নারীর মধ্যে ৮ শতাংশ বিয়ের কারণে পড়াশোনা ছেড়েছে। আর পরিবারকে সহায়তা করার জন্য ছেড়েছে ১৩ শতাংশ। পুরুষের মধ্যে এটি ৩২ শতাংশ। দুই-তৃতীয়াংশ ভবিষ্যত্ কর্মজীবন নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
অনুষ্ঠানের সহ-আয়োজক ছিল জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশ, একশনএইড বাংলাদেশ, ফ্রেডরিক ইবার্ট স্টিফটুং বাংলাদেশ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। জরিপ প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সিপিডির কর্মসূচি সহযোগী তামারা-ই-তাবাসসুম। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আলোচনায় অংশ নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন তরুণরা।
জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিডে তরুণ-যুবাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। ৯৬ শতাংশ জানিয়েছে, তারা নানা ধরনের মানসিক অবসাদে ভুগছে। এর মধ্যে ৫৯ শতাংশের অবসাদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। অনলাইনে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত নেই ৫৮ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ও সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যুবসমাজের একটি অংশ শিক্ষা, প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন তত্পরতায় সক্রিয় রয়েছে। অপর একটি অংশ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।