পরকীয়ার জের ধরে ঈশ্বরদীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

পরকীয়া প্রেমের জের ধরে ঈশ্বরদীতে ইছাহক আলী ইছা (২৭) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার গভীর রাতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান ইছা। তিনি ঈশ্বরদীর সাঁড়া ইউনিয়নের সিভিলহাট এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে। সিভিলহাট তালতলা মোড়ে কাপড়ের ব্যবসায় ও টেইলার্স ছিল ইছার। ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ সেখ নাসীর উদ্দিন পিটিয়ে হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,  সাঁড়ার ব্লকপাড়া এলাকার বিধবা খালেদার (২৮)  সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল ইছার। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঐ নারীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে একসঙ্গে ঘরে কিছু সময় কাটান। এক পর্যায়ে ইছার সঙ্গে খালেদার কোনো বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। কথা-কাটাকাটির আওয়াজ বাইরে গেলে স্বজনরা ইছার উপস্থিতি টের পেয়ে যান। এ পর্যায়ে খালেদার ভাই রবিউল লাঠি নিয়ে ঘরের বাইরে ওত পেতে থাকেন। ইছা ঘর হতে বের হওয়ার পর তাকে লাঠি দিয়ে মেরে গুরুতর আহত করেন।  আহত অবস্থায় ইছাকে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত শনিবার গভীর রাতে সেখানে ইছা মারা যান।

জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে খালেদার স্বামী মারা গেলে তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। তার একটি মেয়ে রয়েছে। এরই মধ্যে ইছার সঙ্গে খালেদার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির জানান, মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে পুলিশ হামলাকারীকে গ্রেফতারে চেষ্টা করছে। রাতেই খালেদাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইছার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।