এই ইসি আওয়ামী লীগের :বিএনপি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিভিন্ন আইনগুলো অভিন্ন আইনে রূপ দেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতা করে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যা?রিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমাদের কাছে মনে হচ্ছে এই নির্বাচন কমিশন (ইসি) বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন নয়। এটা আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের নির্বাচন কমিশন। এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা উনারাই ভূলণ্ঠিত করছেন।

গতকাল রবিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এর আগে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য অভিন্ন আইন তৈরির বিরোধিতা করে এ ভুলত্রুটি তুলে ধরে ৬৬ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দেন তিনি। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন উপস্থিত ছিলেন। ব্যা?রিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আওয়ামী লীগের মেনুফেস্টোতে যা যা আছে এই নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবে তা আছে। এজন্য আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলেছি এই আইন সময় উপযোগী না। তিনি বলেন, এই আইনটি আগে কখনো ছিল না। অথচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ আইন আছে। জেলা পরিষদ নির্বাচন আইন আছে। উনারা (নির্বাচন কমিশন) প্রত্যেকটি আইনকে একীভূত করে একটা আইন করতে চাচ্ছেন। বলছেন এই আইন সমগ্র বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য হবে। আপনারা জানেন পার্বত্য জেলাগুলোর স্থানীয় নির্বাচনের জন্য আলাদা আইন আছে। সেগুলোয় কিন্তু উনারা পরিবর্তন আনছেন না। প্রস্তাবিত আইনে বলা হচ্ছে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নিয়োগ করা হবে না। সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আইন বলা হয়েছে যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনে নির্বাচন কমিশনের ইচ্ছা মাফিক নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন যদি এই আইন কার্যকর করে মেয়াদ শেষ হওয়ার পাঁচ বছর পরও ইসি নির্বাচন করতে পারবে। মানে উনাদের ইচ্ছা মাফিক সব কিছু করবে।

প্রসঙ্গত, এ আইন পাশ হলে স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের আইনের সংশোধনী আনার প্রয়োজন হবে।