করোনা আতঙ্কের জেরে প্লাস্টিকের ব্যবহার যেন বেড়ে গেছে। অনেকেই বাড়ির ব্যাগপত্র বাইরে নিয়ে যেতে চাইছেন না। প্রত্যেকটি জিনিসের জন্য আলাদা পলিথিন ব্যাগ নিচ্ছেন। আলু, পেঁয়াজ, মাছ, মাংস, ফল, সবজি, চাল, ডিম, মিষ্টি—প্রায় সবকিছুই আসছে পলিথিনের প্যাকেটে। ইউজ অ্যান্ড থ্রো। একবার ব্যবহার করছেন, ফেলে দিচ্ছেন। বারবার প্রচার সত্ত্বেও কাজ হচ্ছে না। দোকানিরাও সস্তা পলিথিন ব্যবহার করছেন। এগুলো সহজে নষ্ট হয় না, মাটির সঙ্গে মেশে না। মাটির সর্বনাশ করে ছাড়ে, উর্বরতা কমিয়ে দেয়। তাছাড়া প্লাস্টিকের নানা বিপদের কথা বহু আলোচিত। পলিথিন ব্যবহার করা আইনত অপরাধ। নজরদারির অভাবে দেশের সর্বত্র শহরে বন্দরে কিংবা গ্রামাঞ্চলেও ব্যাপকহারে বেড়েছে সস্তা ও ক্ষতিকারক প্লাস্টিকের ব্যবহার। বেশিরভাগ স্কুলেও ছাত্রছাত্রীদের মিড ডে মিলের সামগ্রী দেওয়া হয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেটে। পরিশেষে, প্লাস্টিকের সমস্যা সম্পর্কে আরো প্রচার চালানো হোক, নজরদারিও বাড়ানো হোক।
লিয়াকত হোসেন খোকন
রূপনগর, ঢাকা