বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি রাজস্বকরণের দাবি জানিয়েছেন কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ারে (সিবিএইসসি) কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের (সিএইচসিপি) সংগঠন বাংলাদেশ সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশন।
রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েসশনের যুগ্ম মহাসচিব মো. মাসুদুর রহমান জিলাদার। তিনি বলেন, সিএইচসিপি হিসেবে শুরুতে ১৩ হাজার ৫০০ জন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগ দেওয়া হলেও বর্তমানে প্রায় ১৪ হাজার জন কর্মরত আছেন। যার মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জনের অধিক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। এদের মধ্যে ৬০ শতাংশ নারী স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।
মাসুদুর রহমান জিলাদার আরো বলেন, ‘৯ বছর চাকরি করেও কোনো ইনক্রিমেন্ট পাইনি?। আমাদের কোনো ভবিষ্যত্ তহবিল নেই। এমনকি সিএসসিপি অসুস্থ হলে চিকিত্সার খরচ বাবদ কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কমিউনিটি ক্লিনিকের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশে মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। নবজাতকের চিকিত্সা, স্বাস্থ্য শিক্ষা, প্রাথমিক চিকিত্সা ও জন্মনিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনাসেবা প্রদান করা যাচ্ছে। জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান জরিপের কথা উল্লেখ করে সম্মেলনে বলা হয়, বাড়ির পাশের কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ওষুধ আর পরামর্শ নিয়ে ৮০ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট। জাতীয় রোগ প্রতিরোধে সামাজিক চিকিত্সা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) জরিপে উঠে এসেছে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা নিয়ে ৯৮ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. ফখরুল ইসলাম, মো. সুমন মাতবর, শেখ মহিবুল হাসান, মো. কাইয়ুম হোসেনসহ সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।