ট্রলারে চড়ে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে বন্ধুর জন্মদিন পালন করার সময় উল্লাস করতে গিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ তরুণ দীপক দাসের (১৬) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার নিখোঁজের প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর কীর্তনখোলা নদীর তলদেশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরিরা।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন সিকদার জানান, সোমবার রাতে নগরীসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর যমুনা অয়েল ডিপো এলাকায় ট্রলার থেকে পড়ে দীপক দাস নিখোঁজ হয়। দীপক নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মিন্টু দাসের ছেলে। তিনি আরো জানান, যমুনা অয়েল ডিপোর পন্টুন থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে নদীর তলদেশে দীপক দাসের লাশ পাওয়া যায়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল গতকাল দ্বিতীয় দফায় নিখোঁজ তরুণের সন্ধানে অভিযান শুরু করে লাশ উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, দীপকসহ প্রায় ১৫ জন বন্ধু তাদের অন্য বন্ধু রিয়াদের জন্মদিন পালনের জন্য গত সোমবার রাতে একটি ট্রলার ভাড়া করে কীর্তনখোলা নদীতে বেড়াতে বের হয়। ট্রলারে কেককাটা শেষে তাদের বন্ধুরা উল্লাস করছিল। এ সময় দীপক নদীতে পড়ে যায়।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে
তিন মাঝিকে জরিমানা
কীর্তনখোলা নদীর বরিশাল-চরকাউয়া খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করায় তিন জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বরিশাল সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান তিন জনকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন হারুন হাওলাদার, মালেক শরীফ ও শাহীন মোল্লা। তাদের সবার বাড়ি চরকাউয়া ইউনিয়নে।
ভ্রাম্যমাণ সহকারী কমিশনার জানান, নির্ধারিত দুই টাকার পরিবর্তে পাঁচ টাকা ও ১০ টাকা করে আদায় করায় জনপ্রতি ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।