ভাঙ্গুড়ার বড়বিশাকোল টু সাতবাড়িয়া সড়ক
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) সংবাদদাতা
ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়বিশাকোল-টু-সাতবাড়িয়া পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট না থাকায় অষ্টমণিষা ও খানমরিচ এ দুই ইউনিয়নের মাঠ থেকে বন্যার পানি নামতে পারছে না। ফলে ৩ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি এলজিইডি অপরিকল্পিতভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করায় গত দুই বছর কৃষকরা ঐ মাঠে তৈলবীজ সরিষা আবাদ করতে পারছে না। এতে তারা মারাত্মকভাবে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। খানমরিচ ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামের জোতদার কৃষক আব্দুল হাই বলেন, দুই বছর আগে ঐ সাব-মারসিবল রাস্তাটি পাকা করা হয়। তখন পানি বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। ফলে বন্যার পানি নিষ্কাশন হতে প্রায় একমাস সময় লাগে। বিলম্বে সরিষা আবাদ করলে বোরো ধানের আবাদ করা যায় না। কারণ এসব জমিতে বোরো চারা রোপণে বিলম্ব হলে ধান পাকার আগেই মাঠে বন্যার পানি চলে আসে। ফলে ঐ সব জমি এখন এক ফসলি পরিণত হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. বাকি বিল্লাহ বলেন, রাস্তা নির্মাণে এলজিইডির খামখেয়ালিপনার কারণে পশ্চিম পাশের ফসলি জমি হতে পানি বের হতে পারছে না। ফলে কৃষকরা সময়মত সরিষার আবাদও করতে পারছেন না। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কালভার্ট নির্মাণ করে জলাবদ্ধতা দূর করতে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি পত্র লিখেছেন। উপজেলা কৃষি অফিসার এনামুল হক বলেন, রাস্তাটি বাধা হয়ে দাঁড়ানোর ফলে ফসলি জমি থেকে দ্রুত পানি নামতে পারছে না, মৌসুমের শুরুতে কৃষকরা জমিতে সরিষা বীজ বপন করতেও পারছেন না। উপজেলা প্রকৌশলী আফরোজা খাতুন বলেন, ঐ রাস্তায় ১৫টি কালভার্ট রয়েছে। কিন্তু সেগুলো যথেষ্ট না হওয়ায় আরো কয়েকটি ব্রিজ-কালভার্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।