নেই মাশরাফি, আছেন সাকিব

ফিটনেস টেস্ট

স্পোর্টস রিপোর্টার

আসন্ন বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ উপলক্ষ্যে জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট নেবে বিসিবি। টুর্নামেন্টের ড্রাফটে নাম রাখতে হলে ক্রিকেটারদের জন্য ফিটনেস টেস্টে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগামী ৯ ও ১০ নভেম্বর ক্রিকেটারদের টেস্ট নেওয়া হবে। মিরপুর স্টেডিয়ামের ইনডোরে টেস্ট দেওয়ার ৩০ মিনিট আগে বিসিবির স্টেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচের কাছে রিপোর্ট করতে হবে ক্রিকেটারদের। করোনাকাল বলেই মাস্ক পরা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে সবাইকে।

গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বিসিবি। জাতীয় দলের বাইরে ৯৩ জন ক্রিকেটারের তালিকা তৈরি করেছে বিসিবি। ৯ নভেম্বর ৮০ জন ও ১০ নভেম্বর ১৩ জন ক্রিকেটার ফিটনেস টেস্ট দেবেন।

প্রথম দিনেই টেস্টে অংশ নেবেন সাকিব আল হাসান। ৯ নভেম্বর সকাল ১০টায় টেস্টে অংশ নেবেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে পাওয়া নিষেধাজ্ঞা কেটে গেছে সাকিবের। এখন সব ধরনের ক্রিকেট খেলতে পারবেন তিনি। বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ দিয়েই ফিরবেন তিনি।

যদিও গতকাল বিসিবির পাঠানো ক্রিকেটারদের এই তালিকায় নাম নেই মাশরাফি বিন মুর্তজার। যদিও এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমেই মাঠে ফেরার কথা তার। গত মার্চের পর থেকে ক্রিকেটের বাইরে মাশরাফিও। গত ১৮ অক্টোবর হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন তিনি। এরপর স্ক্যান করাননি পায়ের। ছেলে সাহেলের করোনা ধরা পড়ায় এখন বাসায় অবস্থান করছেন তিনি। তাই ফিটনেস টেস্টে অংশ নেবেন না।

মাশরাফির সঙ্গে কথা হয়েছে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আমি মাশরাফির সঙ্গে কথা বলেছি। ও টেস্ট দিতে পারবে না। তাই আমরা ওকে তালিকায় রাখিনি।’ বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ফিটনেস টেস্ট না দিলেও মাশরাফি খেলতে পারেন টি-২০ কাপ। ড্রাফটের বাইরে থাকলেও মাশরাফির ফিট হওয়া সাপেক্ষে যে কোনো দল তাকে নিতে পারবে। ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হলে ১১ পয়েন্ট অর্জন করতে হবে ক্রিকেটারদের। প্রাথমিক ভাবে বিপ টেস্ট বাদ দিয়ে ইয়ো ইয়ো টেস্ট চালুর চিন্তা করেছিল বিসিবি। তবে জানা গেছে, ক্রিকেটারদের অনভ্যস্ততার কথা চিন্তা করে বিপ টেস্টই রাখা হচ্ছে।