গল্পে শুনি হেমন্তটা শিশির হয়ে ঘাসে
দুগ্গামায়ের পিছন পিছন চুপকে চলে আসে।
শিউলি নাকি ভোরের বেলা আলপনা দেয় এঁকে,
মৌমাছিরা নৃত্য করে পদ্মকলি দেখে।
টইটুম্বুর রসের হাঁড়ি খেজুর গাছে ঝোলে,
ভোরের রবি কুজ্ঝটিকার চাদরখানা খোলে।
ধানের শিষের গয়না পরে লক্ষ্মী আসে নেমে,
পিঠেপুলির গন্ধে বাতাস একটু দাঁড়ায় থেমে।
কিন্তু ওরা আসে নাকো কেন এ শহরে?
কেন শুধুই নেচে বেড়ায় গ্রামের ঘরে ঘরে?
ভাল্লাগে না তাই তো শহর, পল্লিমায়ের কোলে
ইচ্ছে করে সকাল হতেই একছুটে যাই চলে।
পা ডুবিয়ে দৌড়ে বেড়াই শিশিরধোয়া ঘাসে,
শিউলি কুড়াই, পদ্ম ফোটাই মনের উচ্ছ্বাসে।
রসের হাঁড়ি নামিয়ে আনি খেজুর গাছে উঠে,
ধানের শিষে হাত বুলিয়ে মাঠের মাঝে ছুটে
হেমন্তকে মুখ ফিরিয়ে দেব না আর যেতে,
ছুট্টে গিয়ে গ্রামের পথে উঠব খেলায় মেতে।