ইউরোপজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর আবার সতর্ক হয়েছে বেইজিং। বুধবার (৪ নভেম্বর)যুক্তরাজ্যে চীনের দূতাবাসের থেকে বলা হয়, করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে সাময়িক সময়ের জন্য চীনের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের চীনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। গতকাল একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছে চীনের বেলজিয়াম দূতাবাসও।
চীনা নাগরিক নয় এমন নাগরিকদের বৈধ ভিসা ও আবাসনের অনুমতি থাকলেও অস্থায়ীভাবে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের চীনা দূতাবাস।
৬ নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি এবং থাইল্যান্ড থেকে চীনে আগত সমস্ত যাত্রীকে করোনা সংক্রামণ রোধের জন্য নিউক্লিক এসিড টেস্ট এবং ব্লাড টেস্ট উভয়ই বাধ্যতামূলক করেছে চীন।
বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ আবার বেড়ে যাওয়ায় আপাতত এই চারটি দেশ থেকে চীনের নাগরিক নয় এমন ভ্রমণ পিপাসুরা চীনে প্রবেশ করতে পারবেন না।
গত বছরের শেষের দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস । তবে চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দ্রুত করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে চীন। গত মার্চে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের কারণে চীন বিদেশি নাগরিকদের জন্য তার সকল সীমান্ত বন্ধ করে দেয়।
আরো পড়ুন:'অভিবাসী পাঠিয়ে ফিলিপাইনে নীরব আক্রমণ চালাচ্ছে চীন'
বিদেশে আটকা পড়া লোকজনকে দূতাবাসগুলোর বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে দেশে ফেরার অনুমতি দিইয়েছিল চীন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই নিজেদের সীমান্ত বন্ধ রাখার কঠোরতা কমিয়ে আনে তারা। এ জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে। পাশাপাশি চীনে প্রবেশের পর তাদের দুই সপ্তাহের হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার থেকে ইংল্যান্ড এক মাসব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করার পর পরই চীনা নাগরিক নয় এমন ভ্রমণকারীদের নিষেধাজ্ঞা এলো। ইউরোপের মধ্যে এখন পর্যন্ত ব্রিটেনেই করোনায় মৃতের সংখ্যা সব থেকে বেশি । নতুন করে ২০ হাজারেরও বেশি নতুন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ব্রিটেনে।
ইত্তেফাক/এএইচপি