রাজারহাটে পোলট্রি শিল্পের অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ২২৩-২৫০ জন যুবক বয়লার, লেয়ার ও সোনালি খামারি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। খামারি রেজাউল করিম বলেন, ১৯৯৪ সালে স্বল্প পরিসরে পোলট্রি খামার শুরু করি। বর্তমানে সব খরচ বাদে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় হয়। তার মত অনেকেই পোলট্রি খামার গড়ে তুলে যেমন স্বাবলম্বী হয়েছেন তেমনি নিজেদের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করেছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. জোবাইদুল কবির বলেন, খামারিদের সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্নভাবে পরার্মশ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।