অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে বাংলাদেশে। অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রণোদনার সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে অধিকহারে মুনাফার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশে। সম্ভাব্য উন্নয়নের অংশীদার হিসাবে বিদ্যুত্ ও জ্বালানি, জাহাজ তৈরি ও মেরামত কারখানা, পানিসম্পদ ও নদী ড্রেজিং, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও প্রশমন এবং যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বিনিয়োগ করতে পারে নরওয়ে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ভেন্ডসেনের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনায় অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাক্ষাত্কালে তারা বাণিজ্য-বিনিয়োগ, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, ব্যবসা সহজীকরণ, আর্থিক খাতে গৃহীত পদক্ষেপ, দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, শিক্ষা-সংস্কৃতি, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
নরওয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ১০ বছর আগে আমি বাংলাদেশে এসেছিলাম। কিন্তু সেই বাংলাদেশ আর এই বাংলাদেশ এক বাংলাদেশ নয়। বাংলাদেশে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। দারিদ্র্যবিমোচন, নারীর ক্ষমতায়নসহ অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে আছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে নরওয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার বহু সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
১৯৭১ হতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নরওয়ে সরকার বাংলাদেশকে খাদ্যে সহায়তা বাবদ ৮১ লাখ ৮৮ হাজার ডলার (৬৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা), পণ্যে ১৮ কোটি ২৯ লাখ ডলার (১ হাজার ৫৫৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা) এবং প্রকল্পে ৫৮ কোটি ২৪ লাখ ডলার (৪ হাজার ৯৫০ কোটি ৪০ লাখ টাকা) সহায়তা প্রদান করেছে।