ফুটবলারদের কাছে শতভাগ চাইলেন সালাহউদ্দিন

স্পোর্টস রিপোর্টার

সকাল বেলা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হাজির বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। নেপালের বিপক্ষে আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর ফিফা প্রীতি ম্যাচ। ইংলিশ কোচ জেমি ডে’র তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছিলেন ফুটবলাররা। বাফুফে সভাপতি গিয়েছিলেন খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করতে। সালাহউদ্দিনকে মাঠে দেখে খেলোয়াড়রাও চাঙ্গা। জেমি ও তার কোচিং ষ্টাফদের নিয়ে কুশল বিমিয় করেই সবুজ ঘাসের মাঠে ছোট্ট একটা মিটিং করে ফেলেন সালাহউদ্দিন।

রাখঢাক না করে বলেই দিলেন মাঠে নেমে শতভাগ দিতে হবে। ফুটবলারদের বললেন, ‘আমরা মাঠে এসেছি ফুটবল শুরু করার জন্য। করোনা ভাইরাসের কারনে ফুটবলটা বন্ধ ছিল। আমরা ট্রেনিং দেখতে এসেছি। কিভাবে কি হচ্ছে। এটাই দেখতে এসেছি।’ খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিটিংয়ের পর সালাহউদ্দিন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। সঙ্গে ছিলেন ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক।

অনুশীলন ভালো হলেও ফুটবলারদের ফিটনেসে ঘাটতি আছে বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘অনুশীলন ভালো হচ্ছে। আরো সময় পেলে ভালো হতো। সময়ের অভাব। আমাদের প্ল্যানিং আছে। ফিটনেসে এখনও গ্যাপ আছে। ফিটনেসের গ্যাপ থাকার কথা। কারণ সাত মাস যদি ফুটবল না খেলেন সেটা কভার করতে আরো ছয় মাস লেগে যাবে। এটা সাধারণ কথা। আমি বলেছি গিব ইউর হান্ড্রেডপারসেন্ট। আপনি (খেলোয়াড়দের) আপনার হান্ড্রেডপারসেন্ট দিন।’

প্রতিপক্ষ নেপাল দল নিয়ে কাজী বললেন, ‘খেলায় হারজিত আছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে খেলায় শতভাগ দেয়াটা। প্রতিপক্ষ দলকে আমরা সব সময় শক্তিশালী  মনে করেই মাঠেই নামি। নেপাল দলের বিপক্ষে আমরা ইদানিং অনেক খেলায় জিতেছি। হেরেওছি। খেলায় হারজিত আছে। আমাদের বিশ্বাস নেপাল সেই প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। তবে আসল শক্তি পরীক্ষা হবে মাঠে।’

ফুটবল দলকে শক্তিশালী করতে বাফুফে বিদেশি কোচিং ষ্টাফ এনেছে। হেড কোচ জেমি ছাড়াও গোলকিপিং কোচ, ফিটনেস কোচদের সঙ্গে দেশিয় কোচ আছেন আরো তিন জন। পরে কাজী নাবিল যোগ করলেন, বাফুফের নির্বাচনের পর মহামারীর মধ্যেও ফুটবলকে মাঠে ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট বাফুফে। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই দেশের ফুটবল কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাফুফে।