সেবা নিশ্চিতে মনিটরিং
সিলেট অফিস ও দক্ষিণ সুরমা সংবাদদাতা
দেশে ই-পাসপোর্ট প্রচলনের পর থেকে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এ কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট কার্যালয়। সিলেট নগরীর আলমপুরে বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের কার্যালয়ে এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও জমা দিচ্ছেন আবেদনকারীরা।
পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা কার্যালয়ে এরই মধ্যে ই-পাসপোর্টের জন্য প্রায় ৫ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ১ হাজার আবেদনকারী ই-পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন। এ ছাড়া ৪ হাজার ই-পাসপোর্ট প্রিন্টের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে অফিসের পরিচালক এ কে এম মাজহারুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরুর পর থেকে দিন দিন এমআরপির জন্য আবেদন কমছে। ই-পাসপোর্টের চাহিদা বেড়েছে। ই-পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা যাতে পাসপোর্ট অফিসে এসে কাঙ্ক্ষিত সেবা পান সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সূত্রে জানা যায়, বর্তমান পরিচালক এই কার্যালয়ে যোগদানের পর থেকে ই-পাসপোর্টের সুবিধা সম্বলিত উদ্বুত্তকরণ কর্মসূচির অংশ হিসাবে গত তিন সপ্তাহে এমআরপির চেয়ে ই-পাসপোর্টের চাহিদা বেড়েছে ২০০ শতাংশ। আমরা ই-পাসপোর্ট প্রত্যাশীদের উত্সাহিত করছি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ই-পাসপোর্টধারীরা নিজেরাই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাসপোর্ট অফিসে প্রবেশ গেটেই দায়িত্বরত আনসার ও পুলিশ সদস্য পাসপোর্ট প্রত্যাশীদের আবেদনপত্র/ডেলিভারি রিসিট কিংবা অফিসে ঢোকার প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে লোকজনকে ভেতরে প্রবেশে সহায়তা করছেন। পাসপোর্টের প্রয়োজন ব্যতীত অবাঞ্ছিত ব্যক্তি যেন ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে নির্দেশনা থাকায় তাদের প্রতিরোধের জন্য এভাবে যাচাই করা হচ্ছে।