নোয়াখালীতে সংঘর্ষে আহত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে জেলার সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে চরকরমুল্যা বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে  আহত ঐ ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আবদুল হক ওরপে হকসাব (৪৮)  গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে  চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত কালাতোরাব ইউনিয়নের  মান্দারতলী  গ্রামের  সামছুল হকের ছেলে বেলাল হোসেন ও চাড়ুবানু গ্রামের মৃত ছেরাজুল হকের ছেলে বেলাল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেলার পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে ১৫৪ ধারায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল বিকালে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে  পাঠানো হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।জানা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান এবং পার্শ্ববর্তী কালাতোরাব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ্সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল ডাক্তারের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার রাতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহত ১২ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে মান্নান মেম্বারের মামাতো ভাই আবদুল হক ও বাবুল ডাক্তার গ্রুপের কামাল হোসেনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়। গতকাল আবদুল হক মারা যান ।

এদিকে সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া জানান, বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষের ঘটনায় শুক্রবার রাতে বাবুল ডাক্তার গ্রুপের আনোয়ার হোসেন, মান্নান মেম্বারের মামাতো ভাই মোস্তফাসহ ৯ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের  করেন।