স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবাকে গুরুত্ব দিয়ে এ সরকারের সময় প্রায় ২৪ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নার্সরা করোনার সময়েও হাসপাতালে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। তিনি নার্সদের ডিউটি করার সময় ড্রেসকোর্ডের বিষয়েও গুরুত্বাপরোপ করেন। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন এবং স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় নার্সরা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরলে সচিব তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন। দুপক্ষের আলোচনা সভায় বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো হলো, এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত নার্সদের সম্মাননা ও মৃত্যুবরণকারী নার্সদের পরিবারকে সম্মাননা দেওয়া। এছাড়া আক্রান্ত নার্সদের প্রণোদনা দেওয়ারও আশ্বাস দেওয়া হয়। অতি দ্রুত বকেয়া সিলেকশান গ্রেড প্রদানসহ এই বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপেরও আশ্বাস দেন। পরে নার্স নেতারাও সচিবের আশ্বাসে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
সভায় স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন পাটওয়ারী, স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের মহাসচিব, মো. ইকবাল হোসেন সবুজ, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল আলী সাদেক, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল শাখার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নাসরিন সুলতানা, নরসিংদী জেলা নার্সেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মনির, স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের যুগ্মমহাসচিব মাজহারুল ইসলাম জুয়েল, বি.পি.এস.সি ব্যাচ-১ মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম তালুকদার, বি.পি.এস.সি ব্যাচ-২-এর আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ, ঢাকা নার্সিং কলেজের প্রভাষক নাজমা পারভীন, বিবিজিএনএসের সাবেক সভাপতি রাজীব কুমার বিশ্বাস, বিএনএ সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, বিএনএ সাধারণ সম্পাদক সুকুমার বিশ্বাস, স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের যুগ্মমহাসচিব খাদেমুল ইসলাম, বিএএনএ নেতা মনোয়ারা বেগম প্রমুখ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।