n কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় অনুশীলন করতে দিতে হবে n দোহায় ক্লাবের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে দিতে হবে
n ম্যাচ হতে হবে ৪ ডিসেম্বর
সোহেল সারোয়ার চঞ্চল
করোনাকালে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রীতি ম্যাচ আয়োজন দেশের ফুটবল অনুরাগীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করছে। এরই মধ্যে আরেকটি সুখবর এসেছে। বিশ্বকাপ আয়োজক কাতার খেলতে চায় বাংলাদেশের বিপক্ষে। কাতার দুটো তারিখও প্রস্তাব করেছিল, আগামী ৪ ডিসেম্বর কাতারের দোহায় বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে এরই মধ্যে কাতার ফিফার কাছে অনুমতিও চেয়েছে। বাফুফে রাজি আছে ম্যাচ খেলতে। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত না হলেও ৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ম্যাচ খেলবে সেটা সহজেই বুঝা যায়। কারণ বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে বলেছেন ৪ ডিসেম্বর খেলা হলে প্রস্তুতির জন্য ভালো সময় পাওয়া যাবে। কোচের এই কথায় স্পষ্ট কাতারে গিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলবে। কথা হচ্ছে ফিফা এখনো বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ মাঠে গড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি।
করোনার কারণেই বিশ্বকাপ বাছাই এবং এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের খেলা স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। কারণ এক দেশ আরেক দেশে গিয়ে খেলতে হলে বিমান চলাচলে সুবিধা থাকা চাই। যদি কোনো দেশ নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে ম্যাচ খেলতে চায় তাহলে হয়তো ফিফা এএফসি বাধা দেবে না। কাতার হয়তো সেই সুযোগটি গ্রহণ করতে চাইছে। তার ওপর কাতারের সঙ্গে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের ফুটবল সম্পর্কটা ধরে নিয়ে এগোতে চায় কাতার। নীরব সম্মতি আছে বাংলাদেশের। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কাতার অনুমতি চেয়েছে সেটা পেতে সপ্তাহখানেক সময় লেগে যাবে।’
কাতার গত সপ্তাহে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ পত্র পাঠিয়েছিল ফুটবল ম্যাচ খেলার জন্য। কিন্তু বাংলাদেশ শর্ত জুড়ে দিয়েছিল। কাতার গিয়ে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তবে এই ১৪ দিন বাংলাদেশকে অনুশীলন করতে দিতে হবে। এতে রাজি হয়েছে কাতার। শর্ত দেওয়া হয়েছে কাতারের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সেখানকার একটি ক্লাবের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে দিতে হবে। তাতেও রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবু নাঈম সোহাগ। কাতারের প্রস্তাব ছিল ১ ডিসেম্বর ম্যাচ খেলবে আর বাফুফে ৪ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছে।
কাতারের বিপক্ষে খেলার আগে নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এটাকে টনিক হিসাবে কাজে লাগবে বলে মনে করছেন জেমি। ১৩ ও ১৭ নভেম্বর ঢাকায় নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ। এরপর কাতার সফরের প্রস্তুতি। খেলোয়াড়দের ক্যাম্পেই থাকতে হবে।