নেপাল সিরিজ
স্পোর্টস রিপোর্টার
বাংলাদেশ ফুটবল দল দীর্ঘ আট মাস পর নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরছে। তবে বড় সময়ের অনভ্যস্ততা আর ম্যাচ ফিটনেসে ঘাটতির জন্যে ম্যাচ দুটো হাজির হচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েই, মনে করেন বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে।
ফুটবলাররা শেষ লিগ ম্যাচটাও খেলেছেন সেই মার্চে। এরপর করোনা-পরিস্থিতি অবনতির কারণে স্থগিত করে দেওয়া হয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, মাস দুয়েক পরে তো মৌসুমই বাতিল হয়ে যায়। অনভ্যস্ততার কারণেই নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দুটো বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাজির হয়েছে জামাল ভূঁইয়াদের সামনে।
কোচ জেমি ডেও ভাবছেন তেমন কিছুই। বললেন, ‘আট মাসে এটাই আমাদের প্রথম ম্যাচ। সেহেতু এটা একটা চ্যালেঞ্জই। আর তাই এখানে আমাদের মূল লক্ষ্যই থাকবে ম্যাচ খেলার অভ্যাসে ফেরা।’
সে চ্যালেঞ্জে জিততে মরিয়া দল। তবে পথের কাঁটা হিসেবে আছে ম্যাচ ফিটনেসে ঘাটতি। লকডাউনে কোচের তত্ত্বাবধানে ব্যক্তিগত অনুশীলন চললেও ম্যাচ ফিটনেস পড়ে গেছে অনেকটাই। সেটা ফেরাতেই কোচিং দলের বেঁধে দেওয়া ফিটনেস পরিকল্পনা মেনে এগোচ্ছেন জামাল ভূঁইয়ারা, জানালেন কোচ ডে।
তার কথা, ‘ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করছে। যেহেতু আমরা শেষ ৮-৯ মাসে খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি, তাই ম্যাচ ফিটনেসেও ঘাটতি আছে আমাদের। এ কারণেই শেষ দুই সপ্তাহে আমরা ফিটনেস প্ল্যানও বেঁধে দিয়েছি তাদের সামনে, যা খেলোয়াড়রা মেনে চলছে।’
নেপালের বিপক্ষে ফলাফল একটু এদিক ওদিক হলে চোখরাঙানি আছে র্যাঙ্কিংয়ে অবনতিরও। বাংলাদেশ কোচ সেসব একপাশে সরিয়ে রাখছেন এখন। জানালেন, দল এখন মনোযোগী ফুটবলে ফেরাতেই। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদেরকে কিছুটা বাস্তববাদী হতে হবে। কারণ আমরা শেষ কয়েক মাসে মাঠেই নামিনি, আর প্রস্তুতির জন্যে সময় পেয়েছি তিন সপ্তাহ। আর তাই এখানে মনোযোগটাই থাকবে ফুটবলে ফেরাটা। নেতিবাচক ফল, ফিফা র্যাঙ্কিং নিয়ে আপাতত ভাবছি না আমরা।’
নেপাল সিরিজের পরই কাতারের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচটি খেলার সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের। যদিও সেটি চূড়ান্ত হয়নি এখনো। আর তাই কোচ জেমি ডে সে ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না এখনই। বাংলাদেশ কোচের ভাষ্য, ‘আপাতত নেপাল সিরিজ নিয়েই ভাবছি আমি। কিন্তু যদি দুই ফেডারেশন এতে সম্মত হয় তাহলে নিজেদের সাধ্যমতো প্রস্তুতি নিয়েই কাতারের মুখোমুখি হতে হবে আমাদের।’