ফিটনেস টেস্ট উতরে গেলেন সাকিব

টি-২০ র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয়

  স্পোর্টস রিপোর্টার

ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। নিষিদ্ধ হওয়ার আগে ক্রিকেট বিশ্বকে দেখিয়েছেন নিজের সামর্থ্যের সেরাটা। ব্যাটে-বলে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ রাঙিয়ে ছিলেন সাকিব আল হাসান। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় এখন এই বাংলাদেশি ক্রিকেটার। গত কিছু দিন ধরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে প্রশ্ন, সাকিব আগের ছন্দে ফিরতে পারবেন কি না? এক বছরের বিরতির ধাক্কা কত দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারবেন তিনি?

ক্রিকেটে ফেরার প্রক্রিয়া হিসেবে গতকাল প্রথম পরীক্ষা মোটামুটিভাবে উতরে গেছেন সাকিব। গতকাল বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের জন্য ফিটনেস টেস্টে বেঞ্চ মার্ক ১১-এর কাছাকাছি গিয়েছেন তিনি। তবে ১১ পার হতে পারেননি। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, তার স্কোর ছিল ১০.২।

জানতে চাইলে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু গতকাল সন্ধ্যায় বলেছেন, ‘সাকিব ভালো করেছে। ও আমাদের চাওয়ার কাছাকাছি গিয়েছে। ফিজিওরা ওর ফিটনেসে সন্তুষ্ট। আগামী কিছু দিন সাকিব আমাদের ফিজিও, ট্রেনারদের সঙ্গে কাজ করবে। আশা করি আরো উন্নতি হবে।’

দীর্ঘ বিরতির পর ফিরেছেন সাকিব। তারপরও ফিটনেস টেস্টে তার পারফরম্যান্সে আশাবাদী সবাই। ফিজিও, ট্রেনারদের সবুজ সংকেত পাওয়ায় টুর্নামেন্টের ড্রাফটে নাম উঠছে সাকিবের। এদিন তার সঙ্গেই ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও ইয়াসিন আরাফাত মিশু। সূত্র জানায়, হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে ওঠা হাসান ১১.১ ও মিশু ১১ স্কোর তুলেছেন। তাদের নামও উঠছে ড্রাফট তালিকায়।

এ টুর্নামেন্টের জন্য আয়োজিত ফিটনেস টেস্টে সর্বোচ্চ স্কোর তুলেছেন মেহেদী হাসান রানা। গত মঙ্গলবার ১৩.৬ স্কোর তুলেছিলেন এ বাঁহাতি পেসার।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে গত ৯ নভেম্বর ফিটনেস টেস্ট দেওয়ার কথা ছিল সাকিবের। গত সোমবার ৩৭৫ দিন পর মিরপুর স্টেডিয়ামে ফিরে ফিটনেস টেস্ট আর দেননি তিনি। দুই দিন বিসিবি একাডেমির জিমে কাজ করেছেন তিনি।

এদিকে গতকাল আইসিসির টি-২০ র্যাংকিং থেকেও ভালো খবর পেয়েছেন সাকিব। পাকিস্তান-জিম্বাবুয়ে টি-২০ সিরিজ শেষে র্যাংকিং হালনাগাদ করে আইসিসি। এই ফরম্যাটে অলরাউন্ডারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন এই বাঁহাতি। ২৬৮ রেটিং পয়েন্ট তার। ২৯৪ রেটিং নিয়ে খুদে সংস্করণের শীর্ষ অলরাউন্ডারের জায়গাটি আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবির দখলে রয়েছে। এর আগে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেই ওয়ানডের শীর্ষ অলরাউন্ডারের জায়গা ফিরে পেয়েছিলেন সাকিব।