নাগোর্নো-কারাবাখ

রুশ শান্তিরক্ষী মোতায়েনের তাত্পর্য কী?

সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয় সেপ্টেম্বর মাসে। এই যুদ্ধে আজারবাইজান স্পষ্টতই সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল। হঠাত্ করেই এই রণক্ষেত্রে রুশদের আগমন ঘটেছে। তারা দুই পক্ষের মধ্যে অনলাইনে একটি শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করে এবং সেখানে রুশ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে, আজারবাইজান এই যুদ্ধে জয়ী হয়েছে এবং নাগোর্নো-কারাবাখ প্রদেশের বেশির ভাগ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ তারা ফিরে পেয়েছে। ১৯৯৪ সাল থেকে এসব এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছিল আর্মেনিয়া। তিন দেশের ঐ শান্তিচুক্তিতে বলা হয়েছে—আর্মেনিয়া নাগোর্নো-কারাবাখের বাকি এলাকা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে এবং আজারবাইজান সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেবে। দুই পক্ষের সৈন্যদের মধ্যখানে অবস্থান নেবে রাশিয়ার শান্তিরক্ষী বাহিনী এবং তারা নিশ্চিত করবে দুই পক্ষের মধ্যে আবার যেন লড়াই না হয়।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, পুরো পরিস্থিতির ওপর রাশিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। এটি আগে থেকেই রাশিয়ার প্রভাব বলয়ের মধ্যে ছিল এবং সেই জায়গাটা যেন তারা আবারও ফিরে পেয়েছে। কাজেই এই সংঘাতে শেষ পর্যন্ত আজারবাইজানের মতো রাশিয়াও বিজয়ী হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। খবর বিবিসি বাংলার।